জনাব 'ক' সাহেবের সার্বিক কর্মকাণ্ডে ইসলামি পরিবারের দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে। কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা অনুযায়ী যে পরিবার গড়ে ওঠে বা পরিচালিত হয় তাকে ইসলামি পরিবার বলে। ইসলামি পরিবারে সামাজিক প্রভাব অপরিসীম। ইসলামি পরিবারে পুরুষকে পরিবারের কর্তা বা অভিভাবক নিযুক্ত করে তার ওপর ভরণপোষণ, শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার দায়দায়িত্ব অর্পণ করেছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, “প্রত্যেক পুরুষ নিজ পরিবারের লোকদের তত্ত্বাবধায়ক এবং তিনি নিজের অধীনস্থদের সম্বন্ধে জিজ্ঞাসিত হবেন।” (বুখারি ও মুসলিম)তাই স্ত্রী, সন্তান, দাসদাসী ও অন্যদের পুরুষকে মেনে চলা এবং তার আনুগত্য করা ইসলামের নির্দেশ।উদ্দীপকে জনাব 'ক' পরিবারের কর্তা বা অভিভাবক হিসেবে তার কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করেছেন। তিনি পরিবারের যাবতীয় বিষয় দেখাশোনা করা, ছোট ভাই-বোনের শিক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বোনকে সৎপাত্রে বিবাহ দেন। এরূপ যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের সামাজিক প্রভাব অপরিসীম। এতে পরিবার সুখ-শান্তি ও তৃপ্তির কেন্দ্রস্থল হয়ে ওঠে। পারস্পরিক প্রীতি ও ভালোবাসার পরিবেশ তৈরি হয়। সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা বিরাজ করে।অতএব আমরা বলতে পারি, একটি সুস্থ, সুন্দর, শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে ইসলামি পরিবারের প্রভাব অপরিসীম।