ইমাম সাহেবের মন্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন কর।
উত্তর: জনাব রতনের অবৈধ উপার্জনের প্রতিবাদে ইমাম সাহেবের মন্তব্য সম্পূর্ণ যথার্থ। ইবাদত কবুল হওয়ার অন্যতম শর্ত হলো হালাল উপার্জন। হারাম উপার্জনের কারণে দোয়া কবুল হয় না। সাদকা করলে তাও কবুল হয় না এবং তাতে বেশি গুণাহ হয়। এজন্য রাসুল (সা.) বলেছেন, “ঘুষ দাতা ও ঘুষগ্রহিতা উভয়ই জাহান্নামি।” (তাবারানি) এ হাদিস থেকে এটাই প্রমাণিত হয় ঘুষখোরের ইবাদত কবুল হলে সে জাহান্নামে যেত না। কিয়ামতের দিন ঘুষখোর দুরাবস্থার মধ্যে পতিত হবে। এ সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেন, আল্লাহর শপথ। তোমাদের কোনো ব্যক্তি অনধিকারে (বা অবৈধভাবে) কোনো কিছু গ্রহণ করলে, কিয়ামতের দিন সে তা বহন করতে করতে আল্লাহ সামনে হাজির হবে। এতএব আমি তোমাদের কাউকে আল্লাহর দরবারে এ অবস্থায় উপস্থিত হতে দেখতে চাই না যে, সে উট বহন করবে আর তা আওয়াজ করতে থাকবে অথবা গাভী (বহন করে নিয়ে আসবে আর তা) হাম্বা হাম্বা করতে থাকবে অথবা বকরি (বোঝা বহন করে নিয়ে আসবে আর তা) ভ্যা ভ্যা করতে থাকবে। অতঃপর তিনি তাঁর দু'হাত এত উপরে উঠালেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা দৃষ্টিগোচর হলো। তিনি বলেন, হে আল্লাহ! আমি কি (তোমার হুকুম) পৌঁছে দিয়েছি? তিনবার তিনি এ কথা বলেন। (বুখারি ও মুসলিম) জনাব রতন উৎকোচ গ্রহণ ছাড়া ফাইলে সই করেন না। বিষয়টি স্থানীয় মসজিদের ইমাম সাহেব জানার পর মন্তব্য করেন, “ইবাদতের পূর্বশর্ত হলো বৈধ উপার্জন।” জনাব রতনের উচিত উৎকোচ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা এবং তাওবা করে সৎ জীবনযাপন করা। সুতরাং ইমাম সাহেবের মন্তব্য যথার্থ।
HSC Islamic Studies 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic Studies 1st Paper · সৃজনশীল
ইমাম সাহেবের মন্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন কর।
উদ্দীপক
সিলেট সরকারি কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর