উদ্দীপকে মুজাম্মেলের আয়ের পথ হচ্ছে হারাম উপার্জনের পন্থা। মুজাম্মেল ঘুষ গ্রহন করেছে। আর অর্থ সম্পদ উপার্জনের ক্ষেত্রে ঘুষ একটি হারাম পন্থা। উদ্দিপকে মুজাম্মেল সরকারি চাকরি করেন। এবং ফাইল আটকিয়ে দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আয় করেন। যা ঘুষ এর অন্তর্ভুক্ত। ঘুষ একটি জঘন্যতম সামাজিক অনাচার। যে বস্তু বা বিষয় লাভের অধিকার ব্যাক্তির নেই সে যদি দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষকে কোন কিছু দেয়ার মাধ্যমে সে অধিকার লাভ করে তাহলে তা ঘুষ বলে বিবেচিত হবে। ঘুষ শুধু অর্থের লেন দেন নয়। বরং অন্যায় সুবিধা নেওয়ার জন্য যা কিছুই দেয়া হোক তা ঘুষেরই অন্তর্ভুক্ত। ঘুষের মাধ্যমে অর্জিত যাবতীয় অর্থ ইসলামে হারাম ঘোষণা করেছে।ঘুষ দেওয়া ও গ্রহণ করা উভয়ই অমার্জনীয় অপরাধ। এরা উভয়ই জাহান্নামী। ঘুষের প্রভাবে মানুষের নৈতিক ও মানবিক বৈশিষ্ট্য হারিয়ে ফেলে। মানুষের মধ্যে লোভ-লালসা অপচয় ও পাপাচারে প্রসার ঘটে। সন্ত্রাস, ছিনতাই রাহাজানি, খুন ইত্যাদি বৃদ্ধি পায়। ঘুষখোর ঘুষের টাকা কিংবা প্রাপ্ত জিনিস নিয়ে কিয়ামতের ময়দানে হাজির হবে। ঘুষ খাওয়ার অন্যায়কে ঢাকতে পারবে না। সে যে ঘুষ খেয়েছিল তা মানুষ সরাসরি দেখতে পাবে। মানুষ যে দায়িত্বে নিয়োজিত সেই দায়িত্ব ও সক্ষমতা তার কাছে আল্লাহর আমানত। ঘুষ নিলে মানুষের পক্ষে ঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হয় না। এতে দায়িত্বশীলতার আমানতের খিয়ানত হয়। ঘুষকে আল্লাহ তায়ালা হারাম ঘোষনা করেছে। ঘুষের জন্য পৃথিবীতে অসম্মান ও পরকালের চিরস্থায়ী শাস্তির ঘোষণা দিয়ে ইসলাম ঘুষ প্রতিরোধের ব্যব্যস্থা নিয়েছে। সেজন্যই রাসুল (স) বলেছেন,ঘুষ প্রদানকারী ও ঘুষ গ্রহণকারী উভয়ের উপরই আল্লাহর অভিসপ্ত"