উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব বশির উদ্দীনের কর্মে যা ফুটে উঠেছে, তা পাঠ্যবইয়ের 'হারাম উপার্জন' বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকে জনাব বশির উদ্দীন পণ্যে ভেজাল মিশিয়ে চড়া দামে বিক্রি করেন। পণ্যের মান বিকৃত করেন। ওজনে কম দেন। ইসলামের দৃষ্টিতে এভাবে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ব্যবসার মাধ্যমে উপার্জন করা হারাম। যেসব কাজ বা বস্তু কুরআন ও সুন্নাহর স্পষ্ট নির্দেশে অবশ্য পরিত্যাজ্য, বর্জনীয় তাকে হারাম উপার্জন বলা হয়। হালাল উপার্জনের বিপরীত হারাম উপার্জন। ন্যায়নীতিহীন, মানবতাবিবর্জিত, মানুষের জন্য ক্ষতিকর পন্থায় আয়-উপার্জনকে হারাম উপার্জন বলে। প্রতারণা, ছলচাতুরি, দ্রব্যে ভেজাল দেওয়া, ওজনে কমবেশি করা, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই, সুদ-ঘুষের মাধ্যমে উপার্জন সবই হারাম। মহান আল্লাহ বলেন, “হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায় ও অবৈধভাবে ভক্ষণ করো না।" (সূরা আন-নিসা; আয়াত: ২৯) মহানবি (সা.) বলেন, "হারাম খাদ্যে পরিপুষ্ট যে দেহ, নরকাগ্নিই তার জন্য উপযুক্ত।” (আহমদ, বায়হাকি)
সুতরাং বলা যায়, জনাব বশির উদ্দীন পণ্যে ভেজাল মিশিয়ে, ওজনে কম দিয়ে পণ্য বিক্রি করার মাধ্যমে হারাম উপার্জন করছেন। তার উক্ত কর্ম তাকে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত করবে।