আবরারের মধ্যে অতিব গুরুত্বপূর্ণ গুণ কর্তব্যপরায়ণতার অভাব রয়েছে।
দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা অবলম্বন করা হলো কর্তব্যপরায়ণতা । কর্তব্যপরায়ণতার মাধ্যমে সমাজ বা দেশ থেকে অপরাধ নির্মূল করে একটি আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। অপরাধ দমন, শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জাতীয় উন্নয়নে কর্তব্যপরায়ণতার কোনো বিকল্প নেই। আবরার সাহেবের মধ্যে কর্তব্যপরায়ণতা গুণটির ব্যত্যয় ঘটেছে।
উদ্দীপকের আবরার সাহেব দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে চাকরি করেন। সম্প্রতি তিনি সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধের দায়িত্ব পান। তিনি অর্থের বিনিময়ে চোরাচালানীদের দেখেও না দেখার ভান করেন। তার এ ভূমিকার ফলে সে অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহতা বেড়ে যায় । আবরার সাহেবের মতো সবাই নিজ নিজ জায়গায় কর্তব্যে অবহেলা করলে ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ইত্যাদি সব ক্ষেত্রেই অপরাধের কালো ছায়ায় ঢেকে যাবে। কর্তব্যপরায়ণ হলে শ্রমিক তার দায়িত্বে অবহেলা করবে না, শিক্ষক নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে পাঠদান করবেন, ছাত্র অধ্যয়নে ফাঁকি দেবে না, ডাক্তার সঠিকভাবে রোগীর সেবা করবেন, সরকারি কর্মকর্তা এবং নেতারা তাদের দায়িত্ব পালনে আন্তরিক হবেন। এমনকি নাগরিকদের প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে তাদের কর্তব্য পালন করলে কোনো জাতি বা দেশ কখনই বিপথে যাবে না। অন্যথায় সবাইকে দুর্ভোগ পোহাতে হবে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, আবরার সাহেব কর্তব্যহীনতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন । আমাদের প্রত্যেকের উচিত, আবরার সাহেবের মতো না হয়ে দায়িত্বের ক্ষেত্রে কর্তব্যপরায়ণ হওয়া। এতে দেশের স্বার্থ সংরক্ষণ করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া যাবে।