জনাব মাহমুদের কর্মকাণ্ডে হালাল উপার্জনের বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
হালাল অর্থ বৈধ, সিদ্ধ, আইনানুগ বা অনুমোদিত বিষয়। হালাল উপার্জন মানে বৈধ উপার্জন। আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশিত ও অনুমোদিত পন্থায় যে উপার্জন করা হয় তাকে হালাল উপার্জন বলে। হালাল উপার্জন সকলের জন্য কল্যাণকর। ইসলামে আয়-রোজগারের অবৈধ পন্থাগুলোকে সম্পূর্ণভাবে হারাম বা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আর অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদকে অপবিত্র বা নাপাক বলা হয়েছে। হালাল উপার্জন দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করা ইসলামি জীবনব্যবস্থায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আল্লাহ তায়ালা মানব সৃষ্টি করেছেন তাঁরই ইবাদাত-বন্দেগির জন্য। ইবাদাত করা যেমন ফরজ, তেমনি হালাল উপার্জন বা হালাল রুজির অন্বেষণ করাও ফরজ । মহানবি (স.) বলেন, “হালাল বুজি অন্বেষণ করা ফরযের পরেও একটি ফরজ।” (বায়হাকি) ইবাদাতসমূহ কবুল হওয়ার জন্য পূর্বশর্ত হলো হালাল বুজি। যার বুজি হালাল নয়, তার যাবতীয় ইবাদাত কবুল হবে না। অপরদিকে শ্রমের দ্বারা উপার্জিত খাদাই সর্বোত্তম খাদ্য।
হালাল উপার্জন ব্যতীত ইমানদার হওয়া যায় না। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, “ওহে যারা ইমান এনেছ! তোমরা নিজেদের মধ্যে একজন অপরজনের অর্থসম্পদ অবৈধভাবে ভক্ষণ করো না।” (সূৱা আল-বাকারা : ১৮৮)
উদ্দীপকে জনাব মাহমুদ কর্মক্ষেত্রে অসদুপায় অবলম্বন করেন না। সৎভাবে হালাল উপার্জন করেন।