জনাব 'ম' অবৈধ পন্থায় এবং নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে ব্যবসায়-বাণিজ্য করে অর্থ উপার্জন করেন, যাকে হারাম উপার্জন বলা হয় । হারাম অর্থ নিষিদ্ধ, মন্দ, অসংগত, অপবিত্র ইত্যাদি। শরিয়ত পরিপন্থি যেকোনো পন্থায় অর্থসম্পদ অর্জন করাকে হারাম উপার্জন . বলে । অথবা ন্যায়নীতিহীন, মানবতাবিবর্জিত, মানুষের জন্য ক্ষতিকর পন্থায় আয়-উপার্জনকে হারাম উপার্জন বলে। প্রতারণা, ছলচাতুরি, দ্রব্যে ভেজাল দেওয়া, ওজনে কমবেশি করা, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই, সুদ-ঘুষের মাধ্যমে উপার্জন সবই হারাম।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, “হে মানব সম্প্রদায়, দুনিয়ায় যা কিছু আছে তা থেকে হালাল পবিত্র বস্তু গ্রহণ কর, আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না, সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।” (সূরা আল-বাকারা : ১৬৮), তাই বলা হয়, হারাম উপার্জনকারীর ইবাদাত কবুল হয় না। রাসূল (সা.) বলেন, “হারাম উপার্জনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করলে তার ইবাদাত কবুল হয় না।” (বায়হাকি)
হারাম উপার্জনকারীর পরিণাম জাহান্নাম। মহানবি (সা.) বলেন, “হারাম খাদ্যে পুষ্ট যে দেহ, নরকাগ্নিই তার জন্য উপযুক্ত।” (আহমদ ও বায়হাকি)
ব্যবসায়-বাণিজ্য হালাল, কিন্তু সুদ হারাম, কেননা এটি ন্যায়নীতিবর্জিত, নিপীড়নমূলক উপার্জন, আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আল্লাহ পাক ক্রয়- বিক্রয় হালাল করে দিয়েছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।” (সূরা আল-বাকারা : ২৭৫) উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব 'ম'-এর কর্মকাণ্ডে হারাম উপার্জনের বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।