ফরিদ মিয়া একজন প্রতিবন্ধী লোকের অধিকার হরণ করেছেন।
ইসলামে সুদ্ধ মানুষের ন্যায় প্রতিবন্ধীরাও সকল অধিকার পাওয়ার যোগ্য। মহান আল্লাহ অক্ষম প্রতিবন্ধী ও অভাবীদের প্রতি ইহসান করতে নির্দেশ দিয়েছেন। যেমন- আল্লাহ তায়ালা বলেন, "তোমরা আল্লাহর ইবাদাত করবে ও কোনো কিছুতে তাঁর শরীক করবে না: এবং পিতামাতা, আত্মীয়-স্বজন, ইয়াতিম, অভাবগ্রস্ত, নিকট-প্রতিবেশী, দূর-প্রতিবেশী, সঙ্গী-সাথী, মুসাফির ও তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস- দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না দান্তিক, অহংকারীকে।" (সূরা আন-নিসা: ৩৬)
রাসুল (স.) বলেন, "সমগ্র সৃষ্টি আল্লাহর পরিজন।" আল্লাহর কাছে প্রিয় সৃষ্টি হলো সে; যে তার সৃষ্টির প্রতি সদয় আচরণ করে (বায়হাকি)। প্রতিবন্ধী মহান আল্লাহর সৃষ্টি, যে অশ্ব বা শারীরিক অক্ষম সে অনেকটা পরনির্ভরশীল। তাই কোনো মুসলমান যদি এদের দুঃখ-কষ্ট ও সংকট নিরসনে এগিয়ে আসে আল্লাহ তায়ালা তার বিপদ সংকটে সাহায্য করেন। রাসূল (স.) বলেন, "মুসলমান পরস্পর ভাই, সে তার প্রতি অত্যাচার করবে না। তাকে লাঞ্ছিতও করবে না আর তাকে তুচ্ছও করবে না।" (মুসলিম) সুতরাং, ফরিদ মিয়ার উচিত অন্ধ ব্যক্তির কাছে দুঃখ প্রকাশ করে মহান আল্লাহর কাছে এর জন্য অনুতপ্ত হয়ে দ্বীনের পথে পরিপূর্ণরূপে ফিরে আসা। আর সকল প্রতিবন্ধীর অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া।