উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব 'প' আন্তর্জাতিক জীবনে আদর্শ প্রতিষ্ঠায় আল-কুরআনের ভূমিকার বিষয়টি ইঙ্গিত করেছেন।
আন্তর্জাতিক জীবনে আদর্শ প্রতিষ্ঠায় আল-কুরআনের ভূমিকা অপরিসীম । আল-কুরআন সব কালের ও বিশ্বের সব দেশের মানুষের একই বংশোদ্ভূত ঘোষণা দিয়ে দেশে দেশে, জাতিতে জাতিতে, বর্ণ ও অঞ্চলগত সংঘাত বন্ধের জোরালো তাগিদ দিয়েছে। আল্লাহ বলেন, “হে মানুষ, আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে তোমরা একে অন্যের সঙ্গে পরিচিত হতে পার। তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি আল্লাহর কাছে অধিক মর্যাদাশীল যে অধিক মুত্তাকি।” (সূরা আল-হুজুরাত : ১৩)
শান্তি বজায় রাখতে কুরআন শান্তিচুক্তি বা সন্ধির নির্দেশনা দিয়েছে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আর যদি তারা সন্ধি করতে আগ্রহ প্রকাশ করে, তাহলে তুমিও সেদিকে আগ্রহী হও এবং আল্লাহর ওপর ভরসা কর। নিঃসন্দেহে তিনি সবকিছু শোনেন, সবকিছু জানেন।” (সূরা আল-আনফাল : ৬১) উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব 'প' বলেন, এটি এমন গ্রন্থ আন্তর্জাতিক জীবনে আদর্শ প্রতিষ্ঠায় যার ভূমিকা রয়েছে। এ কথা দ্বারা তিনি আল-কুরআনকে বুঝিয়েছেন। কারণ আল-কুরআন সমগ্র মানবজাতির জন্য অবতীর্ণ হয়েছে। তাই বলা যায়, আল-কুরআন আন্তর্জাতিক জীবনে আদর্শ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জনাব 'প'-এর মন্তব্যটি যথার্থ।