রহিমার আচরণে তাকওয়ার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। তাকওয়া অর্থ আত্মরক্ষা করা। শব্দটি দ্বারা আত্মশুদ্ধি লাভ করা, সংযত ও সতর্ক হওয়া, অমঙ্গল থেকে বেঁচে থাকা বা কোনো খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকাকে বুঝায়। সাধারণভাবে তাকওয়া বলতে বোঝায় আল্লাহভীতি। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা হারানোর ভয়ে সবরকমের পাপাচার ও অন্যায় থেকে বিরত থাকাই হলো তাকওয়া। আর তাকওয়ার গুণে গুণান্বিত ব্যক্তি হলেন মুত্তাকি। জনাব কবিরের স্ত্রী রহিমা একজন তাকওয়াবান মহিলা। বিয়ের পর দীর্ঘদিন সন্তান না হওয়ায় রহিমার শাশুড়ি তাকে তাবিজের জন্য স্থানীয় ফকির-দরবেশের নিকট নিয়ে যেতে চাইলে তিনি যাননি। তিনি মনে করেন সবকিছু আল্লাহর পক্ষ থেকেই হয়। কয়েক বছর পর তার একটি পুত্র সন্তান জন্মলাভ করলে, তার স্বামী খুশি হয়ে ব্যাপক খাওয়া দাওয়া ও নাচ- গানের আয়োজন করেন। রহিমা এতে অসন্তুষ্ট হন। এটি মূলত আল্লাহভীরুতা থেকেই এসেছে। কেননা এ ধরনের ব্যাপক খাওয়া দাওয়া ও নাচ-গান ইসলামসম্মত নয়, যা আল্লাহর কাছে অপছন্দনীয়। আর রহিমা একারণেই অসন্তুষ্ট হয়।