ইমাম সাহেবের মন্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন কর।
উত্তর: ইমাম সাহেবের মন্তব্যটি সঠিক ও যথার্থ। হালাল উপার্জন দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করা ইসলামি জীবনব্যবস্থায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। হারাম বা অবৈধ পন্থায় উপার্জিত সম্পদ দ্বারা গড়া শরীর জাহান্নামের ইন্ধন হবে। মহানবি (সা.) বলেন, "হারাম খাদ্যে পরিপুষ্ট যে দেহ, নরকাগ্নিই তার জন্য উপযুক্ত।” (আহমদ) মুসলিম হিসেবে হালাল উপার্জন করা আমাদের ইমানি দাবি। কেননা ইবাদতসমূহ কবুল হওয়ার জন্য পূর্বশর্ত হলো হালাল রুজি। যার রুজি হালাল নয়, তার যাবতীয় ইবাদত-সালাত, সাওম, হজ-যাকাত কিছুই কবুল হবে না'। মহানবি (সা.) বলেন, "হারাম উপার্জনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করলে তার ইবাদত কবুল হয় না।" (বায়হাকি) কাজেই বোঝা যায়, ইমানের পর হালাল রুচি উপার্জন করে হালাল খাওয়া, হালাল পরা ফরজ। মহানবি (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি হালাল রুজি দ্বারা তার পরিবার পরিজন প্রতিপালনের চেষ্টা করে থাকে, সে আল্লাহর পথে মুজাহিদের ন্যায়।” রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, “হালাল উপার্জন করাই সর্বোত্তম কাজ।” অপরদিকে হারাম উপার্জনকারী পরকালে কঠিন আজাবের সম্মুখীন হবে। তার পরিণাম হবে জাহান্নাম। উদ্দীপকে জনাব শাহেদ আহমদ সম্পর্কে ইমাম সাহেবের মন্তব্য হলো-"ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত হলো বৈধ উপার্জন করা।” কুরআন ও হাদিসের আলোকে তাই বলা যায়, ইমাম সাহেবের মন্তব্যটি যথার্থ।
HSC Islamic Studies 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic Studies 1st Paper · সৃজনশীল
ইমাম সাহেবের মন্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন কর।
উদ্দীপক
Jessore · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর