জনাব 'র'-এর কর্মকাণ্ড যৌতুকের সাথে সম্পৃক্ত। এ সমস্যা নিরসনে ইসলামের নির্দেশনা রয়েছে।
বিবাহের সময় বা পরে কনের অভিভাবক ও পরিবার বাধ্য হয়ে পাত্রপক্ষকে যে সম্পদ, নগদ অর্থ, অলঙ্কার, আসবাবপত্র, ইলেক্ট্রনিক দ্রব্য ইত্যাদি প্রদান করে তাকে যৌতুক বলে। বিয়ে করার মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই এমন ছেলেকে বিয়ে করানোর পর যখন সে সংসার চালাতে পারে না তখন স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি করে। ইসলামে সামর্থ্য না থাকলে বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, যাদের বিয়ে করার সামর্থ্য নেই আল্লাহ তাদের নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত না করা পর্যন্ত তারা যেন সংযম অবলম্বন করে।
উদ্দীপকে বর্ণিত 'র' তার একমাত্র পুত্র সন্তানকে বিবাহের পূর্বে আত্মীয়- স্বজনসহ কনে পক্ষের নিকট এমন কিছু প্রস্তাব দেন যার কারণে কনের অভিভাবক বাধ্য হয়ে পাত্র পক্ষকে নগদ অর্থ, অলঙ্কার, আসবাবপত্র, ইলেক্ট্রনিক দ্রব্য প্রদান করেন, যা সম্পূর্ণরূপে যৌতুকের শামিল । ইসলামে যৌতুক দাবি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ইসলামে বরং স্ত্রীকে মোহরানা দেওয়া স্বামীর ওপর ফরজ। আল্লাহ তায়ালা বলেন— 'স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর প্রদান করো সন্তুষ্টিচিত্তে।
ইসলামের নির্দেশনা মেনে বিয়ে করলে বর কনেকে অর্থ দেবে, কনের কাছ থেকে যৌতুক চাইবে না। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় বিয়ে করার অন্যতম শর্ত হলো অর্থসম্পদের বিনিময়ে তথা বর কনেকে মোহরানা প্রদান সাপেক্ষে বিয়ে করবে। ইসলামি নির্দেশনা অনুযায়ী বিবাহ করলে যৌতুক প্রথা হ্রাস পাবে।