ইভটিজিং প্রতিরোধে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করা যেতে পারে। সন্তানের বেড়ে ওঠা এবং সামাজিকীকরণে সচ্চরিত্রবানরূপে গড়ে তুলতে পরিবারের যথাযথ ভূমিকা পালন করা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, সুনীতি ও আদর্শ প্রতিষ্ঠা, সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ জোরদার করা, ইভটিজারদের সামাজিকভাবে বয়কট করা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ও মুক্ত আকাশ সংস্কৃতির ওপর কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিশ্চিত করা, সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সামাজিক প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যকর ভূমিকা পালন নিশ্চিত করা, নারীর প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা, সুস্থ বিনোদন ও সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা বৃদ্ধি করা, নারীদের শালীন পোশাক পরিধানের মানসিকতা তৈরি করা এবং শালীনভাবে চলাচল করা, সর্বত্র অশ্লীলতা, যৌন বিকার, কুরুচিপূর্ণ সাহিত্য, চলচ্চিত্র ও অপসংস্কৃতির আগ্রাসন রোধ করা।