মাসুদের কর্মকাণ্ডে ইসলামে প্রতিবেশীর অধিকার সংরক্ষণের বিধানটি ফুটে উঠেছে।ইসলাম প্রতিবেশীর হক নির্ধারণ করে দিয়েছে। প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার করতে হবে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন, "সদাচরণ কর নিকটাত্মীয় প্রতিবেশী, পার্শ্ব অবস্থানকারী প্রতিবেশী ও পার্শ্ববর্তী সহচবের সাথে।” (সূরা আন-নিসা: ৩৬) প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত হলে তাকে খাবার দিতে হবে। এ মর্মে মহানবি (সা.) বলেন, “যে ব্যক্তি পেট ভরে আহার করে অথচ তার প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত থাকে সে ব্যক্তি প্রকৃত ইমানদার নয়।” (বায়হাকি) প্রতিবেশীর কোনো ক্ষতি বা অনিষ্ট করা যাবে না। এ মর্মে রাসুল (সা.) বলেছেন, "ওই ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না যার প্রতিবেশী তার অনিষ্ট হতে নিরাপদ থাকে না।" (মুসলিম) মহানবি (সা.) আরও বলেছেন, "যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়।" (বুখারি) প্রতিবেশীকে হেয় প্রতিপন্ন করা যাবে না। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, "হে মুসলিম মহিলাগণ, কোনো প্রতিবেশী নারী যেন তার অপর প্রতিবেশী নারীকে হেয় প্রতিপন্ন না করে। (বুখারি)উদ্দীপকের মাসুদের কর্মকাণ্ডে উপরিউক্ত কুরআন ও হাদিসের বাণীর প্রতিফলন ঘটেছে। তাই বলা যায়, মাসুদের কর্মকাণ্ড দ্বারা প্রতিবেশীর হক আদায় হয়েছে।