উদ্দীপকে উল্লিখিত রসুলপুরে নির্মিত গৃহটি হলো মসজিদ।'মসজিদ' আরবি শব্দ। এর আবিধানিক অর্থ সিজদার স্থান। নামাজের জন্য ওয়াক্তকৃত নির্দিষ্ট স্থানকে মসজিদ বলে। অথবা, যে নির্দিষ্ট স্থানে মুসলমানগণ আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় নতশিরে দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে তাকে মসজিদ বলা হয়। সমাজজীবনে মসজিদের গুরুত্ব ও ভূমিকা অসামান্য। মসজিদে শুধু ইবাদত বা উপাসনার স্থান নয় বরং তা মুসলমানদের যাবতীয় কর্মকান্ডের প্রাণকেন্দ্রও বটে। এটি ইসলামি সমাজের সাংস্কৃতিক ঐক্য ও সংহতির কেন্দ্রবিন্দু। মসজিদে নামাজের নেতৃত্ব দেন একজন ইমাম বা নেতা। তিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ছাড়াও মসজিদকেন্দ্রিক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। যেমন- সকালবেলা বাচ্চাদের জন্য ইসলামি জ্ঞান শিক্ষাদান পরিচালনা, রাতে বয়স্কদের জন্য কুরআন শিক্ষা ও গণশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, রাস্তাঘাট ইত্যাদি নির্মাণ ও সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড ইত্যাদি। উদ্দীপকে বর্ণিত রাসুলপুর গ্রামে একটি গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে কুরআন-হাদিসের জ্ঞানে সমৃদ্ধ ইসলামি ব্যক্তিত্ব মাওলানা জাহাঙ্গীরের ঐ গৃহকেন্দ্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন যা মুসলিম সমাজের মসজিদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সুতরাং বলা যায়, রাসুলপুরে নির্মিত গৃহটির পরিচয় হলো মসজিদ।