পরানের কর্মটি ছিনতাইকে নির্দেশ করে।
প্রকাশ্যে ব্যক্তির সম্পদ জোর করে ছিনিয়ে নেওয়াকে বলা হয় ছিনতাই। চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই অর্থ সম্পর্কীয় অনাচার। কিন্তু ছিনতাইয়ের মধ্যে কেবলমাত্র অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার ব্যাপারটিই অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং তা ত্রাস সৃষ্টি করে এবং ক্ষেত্রবিশেষে মানুষের জীবন ও সম্ভ্রমহানিও ঘটায়। পরানের কাজে এ ঘৃণিত অপরাধটি লক্ষণীয়।
উদ্দীপকের পরান রিকশায় আরোহী মহিলাদের হাত থেকে ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। তার এ কাজটি ছিনতাইয়ের অন্তর্ভুক্ত। ছিনতাইয়ের সামাজিক কুফল অপরিসীম। ছিনতাইয়ের কারণে সমাজের শৃঙ্খলা নষ্ট হয়। এটা মানুষের স্বাভাবিক জীবনে বাধা সৃষ্টি করে। ছিনতাইয়ের জন্য বাইরে মানুষ নিদারুণ নিরাপত্তাহীনতার শিকার হয়। এতে মালিকের ধন-সম্পদ হুমকির সম্মুখীন হয়। ছিনতাইকারী অবস্থা বেগতিক দেখলে বা মালিক সম্পদ দিতে দেরি করলে নানারকম নির্যাতন করে। ধরা পড়ার আশঙ্কায় তারা খুনও করে। সুতরাং আমাদের সমাজ থেকে এই অনাচার দূর করে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করা উচিত।