ইমাম সাহেব চুরি প্রতিরোধে পাহারার ব্যবস্থা এবং গ্রামের দরিদ্র মানুষদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নের চেষ্টা করেছেন যা সমাজের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।
ইসলামি সমাজব্যবস্থায় ইমামের দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক। তিনি ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক সবক্ষেত্রে সমাজের মানুষকে সঠিক দিক নির্দেশনা দেবেন। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, সুদ, ঘুষ, জুয়া, মাদকাসক্তি, ব্যভিচার প্রভৃতি সামাজিক অনাচার প্রতিরোধে তিনি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন; যেমনটি নাজিরপুর গ্রামের মসজিদের ইমাম সাহেবের ক্ষেত্রে লক্ষণীয়।
উদ্দীপকের নাজিরপুর গ্রামের মসজিদের ইমাম সাহেব এলাকার যুবকদের . সাথে নিয়ে চুরি প্রতিরোধে রাতে পাহারার ব্যবস্থা করেন। মুসল্লিদের আর্থিক সহায়তায় সেলাই মেশিন কিনে গ্রামের দরিদ্র মানুষদের মধ্যে বিতরণ করেন। তার এসব কাজের মাধ্যমে ইসলামি সমাজে ইমামের সামাজিক দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই প্রভৃতি জঘন্যতম সামাজিক অনাচার। মসজিদের ইমামগণ জুমার খুতবা ও অন্যান্য আলোচনায় এসব অপরাধের পরিণাম সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করবেন। মানুষের জীবন, সম্পদ ও সম্ভ্রমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবেন। কোথাও চুরি, ডাকাতি বা ছিনতাই এর ঘটনা ঘটলে নির্লিপ্ত থাকা ইমানের পরিপন্থি আচরণ। আবার সমাজের মানুষের দরিদ্রতা নিরসন তথা অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নের চেষ্টা করাও ইমামের কর্তব্য।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, ইসলামি সমাজব্যবস্থায় বিভিন্ন সামাজিক অনাচার প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা ইমামের দায়িত্ব ও কর্তব্য। কেননা এটি ইমানের অনিবার্য দাবি।