উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয় ছাড়াও ইসলামি ব্যাংকিং-এর আরও কয়েকটি বিনিয়োগ পদ্ধতি যুক্ত হতে পারে।
ইসলামি ব্যাংকিং বলতে বোঝায় যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান সুদ ও হারাম কারবার এবং হারাম পদ্ধতি পরিহার করে শরিয়াহসম্মত হালাল পন্থায় যাবতীয় ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে ।
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইসলামি ব্যাংকগুলো শরিয়াহ অনুমোদিত পদ্ধতি অনুসরণ করে। উদ্দীপকে উল্লিখিত পদ্ধতিগুলো ছাড়া আরও কিছু বিনিয়োগ পদ্ধতি রয়েছে। যেগুলো হলো-
১. বাই মুদারাবা : লাভ-লোকসানের ভিত্তিতে কোনো উদ্যোক্তাকে ব্যাংক কর্তৃক নির্দিষ্ট মেয়াদে ঝুঁকিপূর্ণ পুঁজি বিনিয়োগে অথবা প্রকল্পে অর্থায়নে ।
২.বাই শিরকাতুল মিলক : হায়ার পারচেজ আন্ডার শিরকাতুল মিলক ।
৩.বাই মুয়াজ্জাল : বাই মুয়াজ্জাল' বলতে ব্যাংক কর্তৃক মুনাফার উদ্দেশ্যে গ্রাহকের নিকট বাকিতে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়কে বোঝায়।
8.বাই ইসতিসনা : ইসতিসনা হলো নির্দিষ্ট পণ্য উৎপাদন বা নির্মাণ করে বিক্রয়ের চুক্তি, যাতে উৎপাদনকারী বা নির্মাতা কর্তৃক উক্ত পণ্য তৈরি বা নির্মাণের পর গ্রাহককে সরবরাহ করার বাধ্যবাধকতা থাকে।
ইসলামি বিভিন্ন শিল্পকারখানা ইত্যাদি নির্মাণ ও চালু করে নিলামে বিক্রি করে। আবার ইসলামি ব্যাংক সরাসরিও বিনিয়োগ করে। যেমন— কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য, পরিবহণ এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ও গৃহনির্মাণ প্রভৃতি খাতে মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি মূলধন বিনিয়োগ করে থাকে।