উদ্দীপকে উল্লিখিত 'প' আলোচিত ফিক্হ বিষয়টির ইসলামি শরিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
মুসলিম পণ্ডিতদের সাধনার ফসল হিসেবে ফিক্হশাস্ত্রের উদ্ভব হয় এবং বিশ্ববিখ্যাত চারটি মাযহাব প্রতিষ্ঠিত হয়। ইসলামের ঊষালগ্নে রাসুল (সা.) যেকোনো সমস্যার সমাধান আল-কুরআনের মাধ্যমে নিজেই পেশ করতেন। কালের বিবর্তনে রাসুল (সা.) ও তাঁর সাহাবিদের তিরোধানের পর মুসলিম সমাজে নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভব হতে থাকে, যার সমাধান সরাসরি কুরআন ও সুন্নাহ থেকে বের করা সর্বসাধারণের জন্য দুষ্কর হয়ে পড়ে। ফলে এসব সমস্যা সমাধানকল্পে দ্বীনের সত্যনিষ্ঠ মুসলিম পণ্ডিতগণ স্বীয় জ্ঞান, বুদ্ধি ও একনিষ্ঠ গবেষণার মাধ্যমে মুসলিম মিল্লাহের জন্য কুরআন সুন্নাহর আলোকে শরয়ী বিধান প্রণয়ন করেন, যা তথা ফিক্হশাস্ত্র। ইসলামি শরিয়তের পরিপূর্ণ ও নির্ভেজাল অনুসরণের লক্ষ্যেই ফিকহশাস্ত্রের উৎপত্তি, যা মুসলিম উম্মাহর প্রভূত কল্যাণ সাধন করেছে।
উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, অধ্যাপক 'প' শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ইসলামের বিস্তৃতিতে নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভব হলে তার সমাধানকল্পে ইসলামি পণ্ডিতগণ কঠোর সাধনা করে বিভিন্ন মাসয়ালা উদ্ভাবন করেন। কিন্তু নানা বিষয়ে তারা একমত হতে না পারায় কয়েকটি ধারার সৃষ্টি হয়।
সুতরাং বলা যায়, 'প' আলোচিত বিষয়টি ইসলামি শরিয়ায় ইতিবাচক ও কল্যাণকর প্রভাব ফেলেছে।