উদ্দীপকে উল্লিখিত রোকসানা আক্তারের চিন্তাচেতনা ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করে।
ইসলামি ব্যাংকিং বলতে এমন অার্থিক প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়। যার মৌলিক বিধান, নীতিমালা ও কর্মপদ্ধতিতে ইসলামি শরিয়াহর মূলনীতি অনুসরণের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার থাকবে এবং যার সকল প্রকার কাজকর্ম ও আদান-প্রদান হতে হবে সুদের লেনদেন থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত।
অন্যদিকে, যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান সুদ এবং হারাম পন্থায় যাবতীয় ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে তাকে সুদি ব্যাংকিং বলে।
ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় হারাম বা অবৈধ লেনদেন পথ, পন্থা ও পদ্ধতি বর্জন করা হয়। ইসলামি শরিয়াহ অনুমোদিত পদ্ধতিতে বিনিয়োগ করা হয়। উৎপাদন ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কল্যাণকর পণ্য উৎপাদন ও খাতে বিনিয়োগ করা হয়। উপার্জিত মুনাজা হালাল বদায় হলো কিনা সেদিকে খেয়াল রাখা হয়। আমানত গ্রহণে, বিনিয়োগ, লভ্যাংশ প্রদান ইত্যাদি সবকিছু ইসলামি পদ্ধতিতে। পরিচালিত হয়। এককথায় আর্থিক লেনদেন ও ব্যবসায় বাণিজ্যের সকল ক্ষেত্রে ইসলামি শরিয়ত প্রবর্তিত বিধান অনুসরণ করে লেনদেন করা হয়। উদ্দীপকে রোকসানার কল্পিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বিধায় আমরা বলতে পারি রোকসানা ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।