ড. আব্দুল হামিদের আলোচিত বিষয় ইসলামি অর্থব্যবস্থা।ইসলামি রাষ্ট্র একটি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। কোনো রাষ্ট্রেই অর্থসম্পদ ছাড়া চলতে পারে না। ইসলামি রাষ্ট্র ও তার জনকল্যাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, ব্যক্তিগত ভাতা, প্রশাসনিক ব্যয়, আপতকালীন ব্যয় ইত্যাদি খাতে অনেক অর্থ ব্যয় করে থাকে। সুতরাং ইসলামি রাষ্ট্রকে এসব ব্যয় সংকুলানের জন্য অর্থসংস্থান করতে হয়। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় আয়ের উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে-যাকাত, খারাজ, উশর, জিজিয়া, গণিমত, ফাই, সাদাকাত ইত্যাদি। যাকাত দিবে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকগণ নির্দিষ্ট হারে। আর খারাজ হলো ভূমি রাজস্ব অর্থাৎ অমুসলিমরা উশর-এর পরিবর্তে যা দান করে থাকে। উশর হলো মুসলিমদের ফসলের যাকাত। উৎপন্ন ফসলের এক-দশমাংশ। অমুসলিমদের থেকে গৃহীত কর হলো জিজিয়া, যুদ্ধলব্ধ সম্পদ হলো গণিমত এবং শত্রু কর্তৃক পরিত্যক্ত সম্পত্তি যা বিনা যুদ্ধে মুসলমানদের হস্তগত, তা হলো ফাই। আর সাধারণ সওয়াবের উদ্দেশ্যে দান হলো সাদাকাহ।
পরিশেষে বলা যায়, ড. আব্দুল হামিদের আলোচিত ইসলামি অর্থব্যবস্থার আয়ের উৎস- যাকাত, খারাজ, উশর, জিজিয়া, গণিমত, ফাই ইত্যাদি। যা সমাজের দারিদ্র্য বিমোচনে ও ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।