প্রফেসর জসীম উদ্দীনের মতে, এ ধরনের দান (খারাজ) রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তার এ উক্তিটি তাৎপর্যপূর্ণ।ইসলামি রাষ্ট্রে একটি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। কোনো রাষ্ট্রই অর্থসম্পদ ছাড়া চলতে পারেন। ইসলাম রাষ্ট্রও তার জনকল্যাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, ব্যক্তিগত ভাতা, প্রশাসনিক ব্যয়, আপতকালীন ব্যয় ইত্যাদি খাতে অনেক অর্থ ব্যয় করে থাকে। সুতরাং ইসলামি রাষ্ট্রকে এসব ব্যয় সংকুলানের জন্য অর্থসংস্থান করতে হয়। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় আয়ের উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে যাকাত, খারাজ, উশর, জিযিয়া, গণিমত, ফাই, সাদাকাত ইত্যাদি। যাকাত দিবে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকগণ এবং তা নির্দিষ্ট হারে। আর খারাজ হলো ভূমি রাজস্ব। উশর উৎপন্ন ফসলের এক-দশমাংশ। অমুসলিমদের থেকে গৃহীত কর হলো জিজিয়া। যুদ্ধলব্ধ সম্পদ হলো গণিমত এবং শত্রু কর্তৃক পরিত্যক্ত সম্পত্তি যা বিনাযুদ্ধে মুসলমানদের হস্তগত, তা হলো ফাই। আর সাধারণ সাওয়াবের উদ্দেশ্যে দান হলো সাদাকাহ। ইসলামি রাষ্ট্র এসব উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে রাষ্ট্রীয় ও জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করে, যা সঠিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনায় ও রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।