প্রফেসর আলী আহসানের শেষোক্ত উক্তিতে ইসলামের মৌলিক বিধান 'যাকাত' এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।ইসলামি অর্থব্যবস্থায়ী রাষ্ট্রীয় আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস যাকাত। যদি কোনো মুসলমান নর-নারী সারা বছরের জীবনযাপনের প্রয়োজনীয় ব্যয বাদে বছর শেষে নিসাব বা নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদের অধিকারী হয় এবং তা পূর্ণ এক বছর তার কাছে সঞ্চিত থাকে তবে তার চল্লিশ ভাগের একভাগ আল্লাহ তায়ালার নির্দেশিত খাতে দান করতে হয় আর এ দানকে যাকাত বলে। যাকাত দেওয়া ফরয, যাকাত ইসলামের তৃতীয় রুকন। ইমান ও সালাতের পরেই যাকাতের স্থান।যাকাত আদায়ে সমাজে বিরাজমান ধনী-গরিবের মাঝে ভ্রাতৃত্ব সুদৃঢ় হয়, সমাজে সম্পদের বৈষম্য দূর হয়। ধনী-গরিবের দূরত্ব লাঘব হয়। যাকাত 'দরিদ্রের প্রতি সম্পদশালীর করুণা নয় বরং ধনীর সম্পদে দরিদ্রদের আল্লাহ প্রদত্ত হক, এর মাধ্যমে ধনীদের থেকে সম্পদ গরিবদের হাতে স্থানান্তর হয়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "সম্পদ যেন ধনীদের মধ্যে আবর্তিত না হয়।" (সূরা হাশর: ৭)অতএব বলা যায়, উদ্দীপকে প্রফেসর আলী আহসান ধনীদের সম্পদে গরিবদের হক স্বীকৃতি বলতে যাকাত ব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করেচেন।