মিসেস আয়েশার দানের বিষয়টি জাকাতকে নির্দেশ করে। তার পূর্ববর্তী ও বর্তমান দানের মধ্যে আমি বর্তমান দানকে সমর্থন করি জাকাত শব্দের অর্থ পবিত্রকরণ, বৃদ্ধিকরণ। ব্যক্তির মালিকানাধীন সম্পদের নিসাব পূর্তির পর যেকোনো মুসলিম দরিদ্রকে শরিয়তের নির্ধারণ অনুযায়ী সেখান থেকে ধন-সম্পদ দেওয়াই জাকাত। মিসেস আয়েশার কাজে এ বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকের মিসেস আয়েশা পূর্ববর্তী সময়ে গহনার মূল্য হিসেব করে গরিবদের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করতেন। কিন্তু বর্তমানে তিনি দান করার ক্ষেত্রে গহনার বাজারমূল্য ৪,০০,০০০ টাকা থেকে ১০,০০০ টাকা দু'জন গরিব ও মেধাবী ছাত্রের ভর্তির জন্য দান করেন। তার শেষের দানটি জাকাতকে নির্দেশ করে । আয়েশার কাজে দেখা যায়, তিনি প্রথমে গরিবদের শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করতেন । এখানে কত টাকা কী হিসেবে দিতেন সেটি অনিশ্চিত। তাই এটি সাধারণ দান হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু বর্তমানে যে ৪,০০,০০০ টাকা থেকে ১০,০০০ টাকা দু'জন মেধাবী গরিব ছাত্রের ভর্তির জন্য দান করেন । যা মূলত জাকাতকেই নির্দেশ করে। কেননা ২.৫% হারে ৪,০০,০০০ টাকায় জাকাত দান করতে ১০,০০০ টাকা।
সুতরাং বলা যায়, মিসেস আয়েশার পূর্ববর্তী দান সাধারণ দান এবং বর্তমান দান জাকাতের অন্তর্ভুক্ত হওয়াই আমি তার বর্তমান দানটিকে সমর্থন করি।