দৃশ্যপট-২ এ মানব রচিত অর্থব্যবস্থায় কোনো কল্যাণ ও মুক্তি নেই। সমাধান নিম্নবাদ পৃথিবীতে নানা দেশে নানা রকম অর্থব্যবস্থা পরিচালিত। যেমন- ধনতান্ত্রিক বা পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি সম্পদের মালিকানা ভোগ করে এবং ইচ্ছামতো উৎপাদন, বণ্টন, বিপণন ও মুনাফা অর্জন করতে পারে। ফলে কালোবাজারি ও মজুতদারি তৈরি হয়। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সম্পদের মালিকানা রাষ্ট্রের এবং উৎপাদন, বণ্টন, বিপণন ও ভোগের সিদ্ধান্ত রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদান করা হয়। ফলে মানুষের উৎপাদনস্পৃহা কমে যায় এবং আর্থিক করা হয় বিপর্যয় নেমে আসে। মিশ্র অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি মালিকানা ও বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগ ও নিয়ন্ত্রণ বিরাজ করে। অর্থাৎ এখানে ব্যক্তিগত ও সরকারি উদ্যোগ সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখে, যা সুদনির্ভর অর্থব্যবস্থা অপরপক্ষে ইসলামি অর্থব্যবস্থা ইসলামের মৌলিক নিয়মকানুনের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং কুরআন-সুন্নাহর আলোকে পরিচালিত হয়। এখানে সম্পদের ব্যক্তি মালিকানা স্বীকৃত হলেও তা ব্যবহারের ক্ষমতা আল্লাহর বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই এখানে ইচ্ছামতো উৎপাদন, বিপণন, বণ্টন ও ভোগ করা যায় না। এ ব্যবস্থা সুদমুক্ত ও কল্যাণমূলক। সুতরাং অর্থনৈতিক মুক্তি ও কল্যাণের জন্য ইসলামিক অর্থব্যবস্থা বাস্তবায়নই সমাধান হতে পারে।