ইসলামি রাষ্ট্রীয় আয়ের মাধ্যমে এটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
ইসলামি রাষ্ট্র একটি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। এজন্য এর অর্থব্যবস্থাও জনকল্যাণের জন্য নিবেদিত। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় সব বিধিবিধান মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে রচিত । এ অর্থব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় আয়ের উৎসসমূহ মূলত জাকাত, উশর, খারাজ, সাদাকাত, খুমুস, জিজিয়া, গনিমত ইত্যাদি। উদ্দীপকে উশরের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
উদ্দীপকে এক ছাত্র তার কৃষক বাবাকে বলে, ফল ও ফসল সংগ্রহের সময় তার নির্দিষ্ট একটি অংশ দরিদ্রদের দিতে হয়। যা উশরকে নির্দেশ করে। ইসলামি রাষ্ট্র রাষ্ট্রীয় আয়ের মাধ্যমে গঠিত ও পরিচালিত হয়। কেননা কোনো রাষ্ট্রই অর্থসম্পদ ছাড়া চলতে পারে না। রাষ্ট্রের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, ব্যক্তিগত ভাতা, প্রশাসনিক ব্যয়, আপদকালীন ব্যয় ইত্যাদি খাতে অনেক অর্থ ব্যয় করা হয়। এসব অর্থের সংকুলানের জন্য ইসলামি অর্থব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় আয়ের উৎস থেকে সংগ্রহ করে। সুতরাং মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তিতে রাষ্ট্রীয় আয়ের ভূমিকা অপরিসীম।