'ভ' এর বক্তব্যের সাথে আমি একমত।
ইসলামি রাষ্ট্রে জাকাত, খারাজ, উশর ইত্যাদি আয়ের উৎসগুলো দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জাকাতলব্ধ সম্পদ পরিকল্পিত উপায়ে সংগ্রহ ও ব্যয় করা হলে সমাজে অভাব-অনটন থাকবে না। জাকাত, খারাজ, উশর ইত্যাদি আয়ের উৎসগুলো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, অভাব দূর করে। অভাবী, বেকার লোকদের হারাম উপার্জন এবং চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের কবল থেকে সমাজকে নিরাপত্তা দেয়।
উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব ড. 'ভ' ইসলামি রাষ্ট্রের আয়ের উৎসগুলো দারিদ্র্য বিমোচনের সাথে সাথে সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। কেননা, অর্থাভাবে বাধ্য হয়ে মানুষ অন্যায়, চুরি, ডাকাতি বা ছিনতাইয়ের মতো জঘন্য কাজে লিপ্ত হয় । হারাম উপার্জনে আত্মনিয়োগ করে । ফলে সমাজে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয় । এক্ষেত্রে ইসলামি আয়ের উৎসগুলো সমাজকে নিরাপত্তা দেয়।
ইসলামি রাষ্ট্র একটি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। কোনো রাষ্ট্রই অর্থ-সম্পদ ছাড়া চলতে পারে না। ইসলামি রাষ্ট্রও জনকল্যাণ, খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, প্রতিরক্ষা, প্রশাসনিক ব্যয় ইত্যাদি খাতে অনেক ব্যয় করে থাকে। তাই ইসলামি রাষ্ট্র জাকাত, উশর, খারাজ, সাদাকাত, খুমুস, জিযিয়া, গনিমত ইত্যাদি আয়ের উৎস থেকে এসবের অর্থসংস্থানের পাশাপাশি দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক ন্যায়বিচারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।