উদ্দীপকে আহসানের কর্মকান্ডে জুয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে। জুয়া শব্দের আভিধানিক অর্থ বাজি রাখা, প্রতারণা করা ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায়, প্রতারণার মাধ্যমে অন্যকে বন্ধিত করে অন্যায়ভাবে সম্পদ উপার্জন করার নামই জুয়া। জুয়ার মাধ্যমে এক ব্যক্তির সম্পদ অন্যয়ভাবে বিনা পরিশ্রমে অন্য ব্যক্তির হস্তগত হয়। এটি এক প্রকার লটারি।
জুয়া সামাজিক অনাচার ও অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। মানুষ জুয়া খেলা করে ব্যক্তি চরিত্র ও সমাজজীবন কলুষিত করে। তারা এ জঘন্যতম কর্মকান্ডের দরুন পারস্পরিক কলহ-বিবাদ, মারামারি, এমনকি নরহত্যায় লিপ্ত হয়। ফলে সমাজজীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে এবং অশান্তি সৃষ্টি হয়। প্রাচীনকাল থেকেই অসৎ ও দুশ্চরিত্র লোকজন জুয়া খেলে আসছে। ইসলাম এর বিরোধিতা করেছে। মহানবি (সা.) বলেন, "নিশ্চয় মহামহিম আল্লাহ তায়ালা মদ ও জুয়াকে হারাম করেছেন।" (ইবনে হিববান)
জুয়া খেলা যেকোনো প্রকারের হোক না কেন, তা হারাম। সম্পদ বাজি রেখে মানুষ কখনো তীরের সাহায্যে, কখনো পাখি কিংবা অন্যান্য জীবজন্তুর সাহায্যে, কখনো বা প্রতীকের সাহায্যে জুয়া খেলায় লিপ্ত হয়েছে। নানা ধরনের জুয়া খেলার কারণে সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এগুলো কখনোই সমাজের জন্য কল্যাণ বহন করে না। বরং এগুলোর কবলে পড়ে নিরীহ মানুষ লাঞ্ছিত হচ্ছে এবং সর্বস্ব হারাচ্ছে।