উদ্দীপকে মাহফুজের ঋণ নেওয়া ব্যাংকটি প্রচলিত ব্যাংক তথা সুদি ব্যাংক।
বাংলাদেশে বর্তমানে দুই ধরনের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু রয়েছে। তা হলো— ১. সুদভিত্তিক ব্যাংক ও ২. ইসলামি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক। সুদভিত্তিক ব্যাংককে প্রচলিত ব্যাংক এবং ইসলামি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংককে ইসলামি ব্যাংক হিসেবে গণ্য করা হয়। সুদভিত্তিক আর্থিক লেনদেন ইসলামে নিষিদ্ধ। কারণ আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “আল্লাহ ব্যবসায়কে হালাল ও সুদকে হারাম করেছেন। (সূরা আল-বাকারা : ২৭৫) রাসুল (সা.) বলেছেন, “সুদ দাতা ও গ্রহীতা উভয়ে জাহান্নামি।” (তাবারানি)
মাহফুজ গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য সুদভিত্তিক ব্যাংক হতে ঋণ গ্রহণ করে। এ ধরনের ব্যাংকে নির্ধারিত মেয়াদে অর্থ ঋণ দেওয়া হয় এবং প্রদত্ত ঋণের ওপর বাৎসরিক সুদ ধার্য্য করা হয়। সুদ চক্রবৃদ্ধি হারে চলতে থাকে। এক্ষেত্রে সাধারণত ঋণগ্রহীতার প্রতি কোনো সহমর্মিতা দেখানো হয় না। ঋণগ্রহীতা যদি কোনো ক্ষতির সম্মুখীন হন, তাহলেও তাকে সুদাসলসহ ঋণ পরিশোধ করতে হয়। সুতরাং বলা যায়, সুদভিত্তিক ব্যাংক হতে ঋণ নেওয়া একজন মুমিন হিসেবে মামুনের ঠিক হয়নি।