ছক-২ এ নির্দেশিত ইসলামি অর্থব্যবস্থা দারিদ্র্যমুক্ত স্থিতিশীল সমাজ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।
ইসলামি অর্থব্যবস্থা হলো কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মানুষের সম্পদ উপার্জন, বণ্টন ও ব্যয়ের নির্দেশনা। এটি একটি মানবকল্যাণময় ও প্রগতিশীল অর্থব্যবস্থা। জাকাত, হালাল উপার্জন ও ইসলামি শরিয়তের অনুসরণ এ অর্থব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য, যা ছক-২ এ লক্ষণীয়।
উদ্দীপকের ছক-২ এ ইসলামি অর্থব্যবস্থাকে নির্দেশ করে। যার মালিকানা আল্লাহর, যা হালাল-হারাম মেনে চলে, যাতে অপচয় নিষিদ্ধ এবং যার মধ্যে গরিবের অধিকার স্বীকৃত থাকে। ইসলামি অর্থব্যবস্থা একটি আদর্শিক অর্থব্যবস্থা। এ অর্থব্যবস্থায় সম্পদের প্রকৃত মালিক মহান আল্লাহ। মানুষ তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে তা ব্যবহার করেন। এ ব্যবস্থায় সম্পদের সুষম ও ভারসাম্যপূর্ণ বন্টননীতি অনুসরণ করা হয়। দারিদ্র্য বিমোচনে ইসলামি অর্থব্যবস্থার তাৎপর্য অপরিসীম। এ অর্থব্যবস্থায় ধনীদের সম্পদে গরিবদের জন্য নির্ধারিত অংশ রয়েছে। সঠিকভাবে জাকাত প্রদানের মাধ্যমে ধনী-গরিবের মধ্যকার বৈষম্য কমে আসে । ইসলামি অর্থব্যবস্থায় বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
পরিশেষে বলা যায়, দারিদ্র্যমুক্ত স্থিতিশীল সমাজ প্রতিষ্ঠায় ইসলামি অর্থব্যবস্থা অপরিহার্য।