উদ্দীপকে উল্লিখিত অধ্যাপক আবু সালেহ-এর কর্মকান্ডে ইসলামের 'আমর বিল মারুফ বা সৎকাজের আদেশ ফুটে উঠেছে
'আমর বিল মারুফ' বলতে সাধারণত কাউকে কোনোরূপ ন্যায় ও ভালো কাজের নির্দেশ দান করা বোঝায়। তবে ব্যাপকার্থে কোনো ব্যক্তিকে ইসলাম 'সম্মত কাজের নির্দেশ দেওয়া, উৎসাহিত করা, অনুপ্রাণিত করা, অনুরোধ করা, পরামর্শ দেওয়া ইত্যাদি সবই সৎকাজের আদেশের মধ্যে গণ্য। উদ্দীপকে অধ্যাপক আবু সালেহ সমাজের অন্যায়-অত্যাচার পছন্দ করেন না। এজন্য সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলাম। সম্মত কাজে উৎসাহিত করতে ও অনুপ্রাণিত করতে পরামর্শ দেন। যা আমর বিন মারুফ-এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ আমর বিন মারুফের মাধ্যমেও সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা যায়। সুতরাং, অধ্যাপক আবু সালেহ-এর কর্মকান্ডে আমর বিল মারুফ ফুটে উঠেছে। সমাজে আমর নিল মারুফ-এর প্রভাব অপরিসীম। ইসলামি সমাজব্যবস্থা এই নীতির ওপরই প্রতিষ্ঠিত। সমাজে আমর বিল মারুফ প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজ থেকে অন্যায়, অত্যাচার, সন্ত্রাস, বিশৃঙ্খলা দূরীভূত হয়ে যাবে। সৎ কাজের আদেশের মাধ্যমে মানুষ ভালো কাজের প্রতি গভীরভাবে উৎসাহিত হয়। নিজ জীবনে সকল অন্যায় ও অসুন্দর কাজ থেকে বেঁচে থাকতে পারে। সৎকাজের সমাজে সৎ ও ন্যায় কার্যাবলির প্রসার ঘটায়। এর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সদাচরণ ও নৈতিক গুণাবলি বিকশিত হয়। মানুষ ধীরে ধীরে সত্য ও ন্যায়ের পথে বিকশিত হয়। মানুষ ধীরে ধীরে সত্য ও ন্যায়ের পথ অনুসরণ করে। আমর বিল মারুফ মুমিনগণের বৈশিষ্ট্য। এ কাজ ব্যতীত কেউ পূর্ণাঙ্গ মু'মিন হতে পারে না।
সুতরাং আমাদের উচিত আমর বিল মারুফের কাজে বেশি চেষ্টা ও সাধনা করা।