শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে কোন সংগঠনকে ইঙ্গিত করে? উক্ত সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে জাতিসংঘকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। নিচে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করা হলো-বিশ্ব ইতিহাসে এক দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তার আশার আলো প্রজ্বলিত করে জাতিসংঘ জন্মলাভ করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি রক্ষা ও আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির জন্য ১৯১৯ সালে লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু ১৯৩৮ সালের মধ্যেই লীগের রাজনৈতিক অস্তিত্ব এক প্রকার বিলুপ্ত হয়ে যায়। একদিকে জাপান, ইতালি ও জার্মানির আক্রমণাত্মক কার্যকলাপ এবং অপ্রদিকে যৌথ নিরাপত্তার দায়বদ্ধতা পালনে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের ব্যর্থতা, যুক্তরাষ্ট্রের বিচ্ছিন্ন থাকার নীতি এবং সোভিয়েত রাশিয়ার আন্তর্জাতিক সংগঠন থেকে বাইরে থাকার নীতি প্রভৃতি কারণে লীগের সমাধি হয়। ১৯৩৯ সালের মধ্যে বৃহৎ শক্তিবর্গ বিভিন্ন জোট গঠন করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। স্বাভাবিকভাবেই এ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অধিকতর ধ্বংসলীলা প্রত্যক্ষ করে মানুষ আরও বেশি শঙ্কিত হয়ে ওঠে এবং ভবিষ্যৎ শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চিন্তিত হয়ে পড়ে। ফলে বিশ্ববাসী একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভব করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যেই মিত্রশক্তির নেতারা একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠনের কথা ভাবতে থাকেন। তারা ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইয়াল্টায় অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের গঠন ও তার ভোটদান পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেন। এ আলোচনার ভিত্তিতে ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল আমেরিকার সানফ্রান্সিসকো শহরে এক বিশ্ব সম্মেলনের জাতিসংঘের সনদ উপস্থাপিত হয়। পরিশেষে ১৯৪৫ সালে ২৪ অক্টোবর ৫১টি দেশ জাতিসংঘের সনদে স্বাক্ষরদান করে এবং চার্টার স্বাক্ষরিত হওয়ার সাথে সাথে জাতিসংঘ কার্যকরী রূপ লাভ করে।

HSC History 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 2nd Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে কোন সংগঠনকে ইঙ্গিত করে? উক্ত সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট ব…

উদ্দীপক

ইতিহাস সেমিনারে মূখ্য বক্তা বলেন- যুদ্ধের ভয়াবহতা মানব হৃদয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। জীবনহানির পাশাপাশি মানবিক বিপর্যয় ও অর্থনৈতিক কাঠামো ধ্বংস হয়। যুদ্ধ পরবর্তী শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রসমূহ। একজোট হবে এমনটাই স্বাভাবিক। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীতে একজোট হয়ে প্রতিষ্ঠা করেন একটি সংগঠন। এই সংগঠন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল হলেও তার ব্যর্থতাও কম নয়।

অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়, বরিশাল · 2025

উত্তর

মুসোলিনীর উপাধি ছিল 'ইল দুচে'।

উত্তর

নাৎসিবাদ হচ্ছে হিটলারের রাজনৈতিক মতাদর্শ। ১৯১৯ সালে হিটলার জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টিতে যোগ দেন। ১৯২০ সালের এ দলের নাম পরিবর্তন করে রাখেন জাতীয় সমাজতন্ত্রবাদী জার্মান শ্রমিক দল' (National Socialist German Workers Party) সংক্ষেপে নাম ছিল নাৎসি। নাৎসিবাদের লক্ষ্য ছিল বল প্রয়োগের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণ এবং বলপ্রয়োগের মাধ্যমেই শাসন পরিচালনা করা। নাৎসিবাদ ছিল কমিউনিজম বিরোধী। এ মতবাদের পিছনে ছিল উগ্র জাতীয়তাবাদ। জার্মান জাতির শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠাই ছিল নাৎসিবাদের মূলমন্ত্র।

উত্তর

উদ্দীপকে জাতিসংঘকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। নিচে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করা হলো-বিশ্ব ইতিহাসে এক দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তার আশার আলো প্রজ্বলিত করে জাতিসংঘ জন্মলাভ করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি রক্ষা ও আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির জন্য ১৯১৯ সালে লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু ১৯৩৮ সালের মধ্যেই লীগের রাজনৈতিক অস্তিত্ব এক প্রকার বিলুপ্ত হয়ে যায়। একদিকে জাপান, ইতালি ও জার্মানির আক্রমণাত্মক কার্যকলাপ এবং অপ্রদিকে যৌথ নিরাপত্তার দায়বদ্ধতা পালনে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের ব্যর্থতা, যুক্তরাষ্ট্রের বিচ্ছিন্ন থাকার নীতি এবং সোভিয়েত রাশিয়ার আন্তর্জাতিক সংগঠন থেকে বাইরে থাকার নীতি প্রভৃতি কারণে লীগের সমাধি হয়। ১৯৩৯ সালের মধ্যে বৃহৎ শক্তিবর্গ বিভিন্ন জোট গঠন করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। স্বাভাবিকভাবেই এ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অধিকতর ধ্বংসলীলা প্রত্যক্ষ করে মানুষ আরও বেশি শঙ্কিত হয়ে ওঠে এবং ভবিষ্যৎ শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চিন্তিত হয়ে পড়ে। ফলে বিশ্ববাসী একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভব করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যেই মিত্রশক্তির নেতারা একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠনের কথা ভাবতে থাকেন। তারা ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইয়াল্টায় অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের গঠন ও তার ভোটদান পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেন। এ আলোচনার ভিত্তিতে ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল আমেরিকার সানফ্রান্সিসকো শহরে এক বিশ্ব সম্মেলনের জাতিসংঘের সনদ উপস্থাপিত হয়। পরিশেষে ১৯৪৫ সালে ২৪ অক্টোবর ৫১টি দেশ জাতিসংঘের সনদে স্বাক্ষরদান করে এবং চার্টার স্বাক্ষরিত হওয়ার সাথে সাথে জাতিসংঘ কার্যকরী রূপ লাভ করে।

উত্তর

উক্ত সংগঠনের সাফল্য তথা জাতিসংঘের সাফল্য প্রশংসনীয়।যেসব মহান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং আদর্শ নিয়ে জাতিসংঘের যাত্রা শুরু হয়েছিল তার সব বাস্তবায়িত না হলেও সামগ্রিকভাবে জাতিসংঘ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে চলেছে। অনেক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিশ্বশান্তিও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘের অবদান প্রশংসনীয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে গড়ে তোলা এ সংগঠনটি দীর্ঘ সাত দশক ধরে নানা ঘাত প্রতিঘাত ও প্রতিকুলতা পাড়ি দিয়ে এখনও যে সার্থকভাবে টিকে আছে তা এর সাফল্যের পরিচয় বহন করে। এই সাত দশক ধরে বিশ্ববাসী বহু বড় ধরনের আন্তর্জাতিক সমস্যার মুখোমুখি হলেও জাতিসংঘ স্বার্থকভাবে হস্তক্ষেপের ফলে বিশ্ব এখনও তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্মুখীন হয়নি। নিজেদের নিরাপত্তার জন্য তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো মূলত জাতিসংঘের দিকেই তাকিয়ে থাকে। এগুলো এ সংস্থার বড় সাফল্য।ইন্দোনেশিয়া, লিবিয়া, নামিবিয়া প্রভৃতি রাষ্ট্র জাতিসংঘের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার ফলেই স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করছে। ১৯৪৮ সালে আরব ইসরাইল বিরোধী মোকাবিলা, ১৯৫০ সালে কোরীয় সংকট দূরীকরণ, ১৯৬৭ সালের আরব ইসরাইল যুদ্ধ বিরতি, আফ্রিকার দেশে দেশে সংঘাতের অবসান; ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান, ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের অবসানে জাতিসংঘের অন্যতম সফল প্রয়াস। এছাড়াও গণতন্ত্রের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়ন, মানবাধিকার উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ, বর্ণ বৈষম্যের অবসান প্রভৃতি ক্ষেত্রে জাতিসংঘের উল্লেখযোগ্য সাফল্য রয়েছে।
HSCHistory 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ভিয়েতনামে সাম্যবাদ (কমিউনিজম) প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়পড়ে। এক পর্যায়ে দেশটি দুটো ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। অবশ্য পরে আবার ঐক্যবদ্ধ হয়। বর্তমানে ঐ রাষ্ট্রটি প্রায় সকল ক্ষেত্রেই সমৃদ্ধি অর্জন করেছে।Q. উক্ত ঐক্যের ফলাফল ছিল-
i. রাষ্ট্রীয় যোগাযোগ
ii. অতীত ঐতিহ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা
iii. আর্থ-সামাজিক উন্নতিনিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ভিয়েতনামে সাম্যবাদ (কমিউনিজম) প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে দেশটি দুটো ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। অবশ্য পরে আবার ঐক্যবদ্ধ হয়। বর্তমানে ঐ রাষ্ট্রটি প্রায় সকল ক্ষেত্রেই সমৃদ্ধি অর্জন করেছে।Q. উদ্দীপকের ঘটনাটির সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দেশের মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.চার্চিল যে দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.হিটলার লিখিত Mein Kampf গ্রন্থের প্রধান উপজীব্য কী?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মনরো ডকট্রিন কবে প্রণীত হয়?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ফ্রান্সে 'বাস্তিল দুর্গ' কীসের প্রতীক ছিল?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মি. 'ক' তার দেশের বিপ্লবের প্রধান কারিগর। তিনি তার লেখনীর মাধ্যমে দেশের মানুষের মধ্যে বিপ্লবের মূলমন্ত্র জাগ্রত করতে সক্ষম হন।Q. উল্লিখিত মনীষীর কার্যক্রম-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মি. 'ক' তার দেশের বিপ্লবের প্রধান কারিগর। তিনি তার লেখনীর মাধ্যমে দেশের মানুষের মধ্যে বিপ্লবের মূলমন্ত্র জাগ্রত করতে সক্ষম হন।Q. উদ্দীপকের মি. 'ক' এর সাথে ফরাসি বিপ্লবের কোন মনীষীর মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মাও সেতুং চীনে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেন এবং সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করেন।Q. রুশ বিপ্লবের ফলে-
i. শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা পায়
ii. জারতন্ত্র উচ্ছেদ হয়
iii. গণতন্ত্র মুক্তি পায়নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মাও সেতুং চীনে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেন এবং সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করেন।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত মাও সেতুং এর সাথে রুশ বিপ্লবের কার সাদৃশ্য পাওয়া যায়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সার্ফ প্রথা কত সালে উচ্ছেদ করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ফরাসি বিপ্লবের তাৎপর্য কোনটি?
i. কৃষির আধুনিকীকরণ
ii. পুরানো সভ্যতাকে ভেঙে ফেলা
iii. নতুন সভ্যতা গড়ে তোলানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ভিয়েতনামে সাম্যউদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ভিয়েতনামে সাম্যবাদচার্চিল যে দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন-হিটলার লিখিত Mein Kampf গ্রন্থের প্রধান উপজীব্য কী?মনরো ডকট্রিন কবে প্রণীত হয়?ফ্রান্সে 'বাস্তিল দুর্গ' কীসের প্রতীক ছিল?উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মি. 'ক' তার দেশের বিপ্লবের প্রধান কারিগর। তউদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মি. 'ক' তার দেশের বিপ্লবের প্রধান কারিগর। তউদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মাও সেতুং চীনে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠউদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মাও সেতুং চীনে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠসার্ফ প্রথা কত সালে উচ্ছেদ করা হয়?ফরাসি বিপ্লবের তাৎপর্য কোনটি?i. কৃষির আধুনিকীকরণii. পুরানো সভ্যতাকে ভেঙে ফেলাiii

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।