শহিদুল দুই বিশ্বনেতা হিটলার ও মুসোলিনী সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করে।
বিংশ শতাব্দীর রাজনীতির ইতিহাসে জার্মানির এডলফ হিটলার এবং ইতালির মুসোলিনী এক সুপরিচিত নাম। হিটলার ১৮৯৯ সালের এপ্রিলে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকালেই পিতার মৃত্যুতে তিনি চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে ওঠেন। স্কুল জীবন শেষ করে তিনি অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় গমন করেন। ছবি আঁকার স্কুলে ভর্তি হতে ব্যর্থ হয়ে তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। যুদ্ধ শেষে ১৯১৯ সালে জার্মান শ্রমিক দলে যোগ দিয়ে অল্প দিনের মধ্যেই বাগ্মিতায় সকলের নজর কাড়তে সক্ষম হন। অতি দ্রুত ক্ষমতায় আরোহন করে জার্মানিতে একনায়কতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। অপরদিকে ফ্যাসিবাদের জনক মুসোলিনী ১৮৮৩ সালে ইতালির 'রোমানা' নামে এক গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। সমাজতন্ত্রী দল কর্তৃক “অভান্তি” পত্রিকা থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর নিজেই একটি পত্রিকা প্রকাশ করে ইতালির যুদ্ধে যোগদানের পক্ষে জনমত গঠন করে। ১৯১৯ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর মিলান শহরে একটি সম্মেলন করেন এবং এ সম্মেলনে কর্মচ্যুত সেনা ও বেকার যুবকদের নিয়ে মুসোলিনী আধা সামরিক বাহিনী গঠন করেন যার নাম 'ফ্যাসিস্ট'। মাত্র দুবছরের মধ্যেই ফ্যাসিস্টরা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং মুসোলিনী ইতালিতে ১৯২৫ সালে একনায়কতন্ত্র ফ্যাসিবাদী সরকার ব্যবস্থা চালু করে ।
উদ্দীপকেও দেখা যায় যে, শহিদুল ইতিহাস পড়ে যে দুইজন ব্যক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করে তারমধ্যে একজন জার্মানিতে একনায়কতান্ত্রিক শাসন চালু করেন এবং অন্যজন ইতালিতে ফাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। উপরিউক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, উদ্দীপকে হিটলার ও মুসোলিনীকে উল্লেখ করা হয়েছে।