উক্ত শাসক তথা এডলফ হিটলারের উত্থানের পিছনে অনেক কারণ ছিল বলে আমি মনে করি।
জার্মানিরা ছিল আত্ম গর্বিত জাতি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রপক্ষের নিকট পরাজয় তারা মেনে নিতে পারেনি। অধিকাংশ জার্মান মনে করত যে, জার্মানি আত্মসমর্পণ না করে যদি যুদ্ধ চালিয়ে যেত তাহলে পরাজয় এড়ানো সম্ভব হতো। হিটলারের নাৎসিদলও একই মত পোষণ করে । নাৎসি দল প্রচার করে যে, ভার্সাই সন্ধি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রজাতন্ত্র সরকার জার্মানির জনগণের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ফলে নাৎসিদল ও হিটলার ক্রমেই জার্মানদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। নাৎসিদের নিরন্তর প্রচারণায় জার্মান জনগণের মনে এই ধারণা বন্ধমূল হয় যে, একমাত্র নাৎসিদলই জার্মানির হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে। প্রজাতন্ত্রী সরকার কমিউনিস্টদের দমাতে না পারলেও হিটলারের ঝটিকা বাহিনী কমিউনিস্টদের কোণঠাসা করতে সক্ষম হয়েছিল। ফলে হিটলারের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। এমনকি শক্তি প্রয়োগ করে ১৯৩৩ সালের নির্বাচনে নাৎসিদল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়।
পরিশেষে বলা যায়, এডলফ হিটলারের অসাধারণ বাগ্মিতা ও সম্মোহনী ক্ষমতা নাৎসিদলের তথা হিটলারের উত্থানে সহায়ক হয়েছিল।