উদ্দীপকের মি. আমান সাথে ইতালির স্বৈরাচারী শাসক বেনিতো মুসোলিনীর কর্মকাণ্ডের মিল পাওয়া যায়।
বেনিতো মুসোলিনীর নেতৃত্বে ১৯২২ সালের ৩০ অক্টোবর ন্যাশনালিস্ট ফ্যাসিস্ট পার্টি ক্ষমতা গ্রহণ করেন। ক্ষমতা গ্রহণের পর তিনি সকল বিরোধী দলকে নস্যাৎ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এমনকি ১৯২৪ সালের নির্বাচনে বিরোধী দলগুলোকে কোণঠাসা করে তিনি জোরপূর্বক ৪৩ মিলিয়ন ভোট নিজের পক্ষে সংগ্রহ করে জয়লাভ করেন। তার এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের নেতা প্রতিবাদ জানালে তাকে হত্যা করা হয়। এছাড়া ফ্যাসিস্ট ট্রেড ইউনিয়ন ছাড়া বাকি সকল ট্রেড ইউনিয়ন তিনি বন্ধ করে দেন। এমনকি ১৯২৬ সালের নভেম্বর মাসে বিক্ষোভ, সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। সকল বিরোধী দল, পত্র-পত্রিকা, সরকারবিরোধী যে কোনো ব্যক্তি ও সংস্থাকে বিচারের সম্মুখীন করতে জরুরি ফ্যাসিস্ট আইন ঘোষণা করা হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. আমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা বন্ধ করে দেন। তার সময় সরকার বিরোধী সব পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হয়। গঙ্গার হাজার বিরোধী নেতা কর্মীকে জেলে পাঠানো হয়। অনেক বুদ্ধিজীবী, কবি, সাহিত্যিককে দেশ ত্যাগে বাধ্য করা হয়। সুতরাং বলা যায়, মি. আমান উত্ত স্বৈরাচারী কর্মকাণ্ডের সাথে ইতালির মুসোলিনীর কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য রয়েছে।