উদ্দীপকের ফাহিমের বাহিনীর সাথে জার্মানির শাসক হিটলারের নাৎসি বাহিনীর মিল পাওয়া যায় ।
এডলফ হিটলারের নেতৃত্বে জার্মানির ১৯৩৪ সালের নির্বাচনে নাৎসি বাহিনী ক্ষমতায় আসার পর নানা ধরনের স্বৈরতান্ত্রিক কর্মসূচি গ্রহণ করে। এ বাহিনী জার্মানির সর্বত্র একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে।
১৯৩৪ সালের ২৪ জুলাই নাৎসি দল ছাড়া সব রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা হয়। ফ্যাসিস্ট লুই-এর নেতৃত্বে একটি ট্রেড ইউনিয়ন ছাড়া আর সবকটি ট্রেড ইউনিয়ন নিষিদ্ধ করা হয়। ওয়েমার সংবিধান কার্যত রহিত করা হয়। উগ্র জাতীয়তাবাদী নাৎসিরা দেশের সংবাদপত্র, বেতার, শিক্ষাসহ সকল প্রতিষ্ঠানের অধিকার কেড়ে নেয়। যেকোনো সময় যেকোনো নাগরিককে গ্রেফতার করা ও বিনা বিচারে আটক করে রাখা সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। হিটলারের নেতৃত্বে নাৎসি বাহিনী জার্মানিতে এরকম একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার সূচনা করে।
উদ্দীপকের ফাহিমের বাহিনী দেশটির সর্বত্র একচ্ছত্র কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। তারা প্রচার মাধ্যমের অধিকার কেড়ে নেয়। সন্ত্রাস নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়ায়। এমনকী আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সন্ত্রাসী কার্যকলাপে উৎসাহ দিতে থাকে। সুতরাং বলা যায়, ফাহিমের বাহিনীর কর্মকাণ্ডের সাথে হিটলারের নাৎসি বাহিনীর কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য পাওয়া যায় ৷