শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত শাসকের কর্মকাণ্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গতিকে ত্বরান্বিত করেছিল তোমার মতামত দাও।

উত্তর: হ্যাঁ আমি মনে করি, উক্ত শাসকের অর্থাৎ বেনিতো মুসোলিনীর কর্মকাণ্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গতিকে ত্বরান্বিত করেছিল।প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী ইতালির অবস্থা নানা দিক দিয়ে শোচনীয় ছিল। দ্রুত হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক সম্পদের অভাব এবং শিল্পের অনগ্রসরতার কারণে ইতালির জনসাধারণ একধরনের হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে পড়েছিল। ইতালিতে এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে আবির্ভাব হয় বেনিতো মুসোলিনীর। মুসোলিনীর সময় ইতালির পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য ছিল ইতালির সম্প্রসারণ। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির সকল সুযোগ নিয়ে ইতালির রাষ্ট্রীয় গৌরব বৃদ্ধি ও প্রতিপত্তি স্থাপন করাই মুসোলিনীর মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল। ১৯২৭ সালে মুসোলিনী ঘোষণা করেন যে, ফ্যাসিস্ট ইতালির প্রধানতম কর্তব্য হলো ইতালির পদাতিক, নৌ ও বিমানবাহিনীকে সকল সময়ের জন্য প্রস্তুত রাখা। মুসোলিনী যুদ্ধকেই তার পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে মনে করতেন। তিনি বলতেন, "আমি যুদ্ধ ভালোবাসি, যুদ্ধ করা আমার সহজাত প্রবণতা।" ব্রিটেন ও ফ্রান্স উভয়কেই পরস্পরের সাথে বিবাদে লিপ্ত করে, ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে জার্মানির বিরুদ্ধে নিয়োজিত করে এবং ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানিকে সম্মিলিতভাবে সোভিয়েত রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিয়োজিত করে ইতালি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আধিপত্য স্থাপন করার ও সাম্রাজ্য বিস্তার করার নীতিও তিনি গ্রহণ করেন। আবিসিনিয়া জাতিপুঞ্জের সদস্য হওয়ার পরেও ইতালি আবিসিনিয়া আক্রমণ করে। ইতালি আবিসিনিয়াকে তার রাজ্যভুক্ত ঘোষণা করে। এই ঘটনা জাতিপুঞ্চের মর্যাদা অনেকাংশে নষ্ট করে এবং যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিফলতা প্রমাণ করে। এরপর ইতালি আলবেনিয়া গ্রাস করার লক্ষ্যে ১৯৩৯ সালে আলবেনিয়া আক্রমণ করে। ১৯৩৯ সালে ইতালি ও জার্মানির মধ্যে একটি সহযোগিতার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানিকে সাহায্য করে। পরিশেষে বলা যায়, উক্ত নেতৃত্বের অর্থাৎ বেনিতো মুসোলিনীর কর্মকাণ্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গতিকে ত্বরান্বিত করেছিল।

HSC History 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 2nd Paper · সৃজনশীল

উক্ত শাসকের কর্মকাণ্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গতিকে ত্বরান্বিত করেছিল …

উদ্দীপক

কিছু স্বৈরশাসক সামরিক শক্তি দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকেন। কেউ টিকে থাকেন তথাকথিত গণতন্ত্রের আবরণে, আবার কেউ তৈরি করে নেন নিজস্ব স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা, হয়ে উঠেন স্বৈরতন্ত্রের সমর্থক। মিঃ অর্ণব ইতিহাস ক্লাসে এমনই এক স্বৈরশাসকের বিষয়ে জানালেন, যিনি ইউরোপের একটি দেশে জন্মগ্রহণ করেন পরবর্তীতে শিক্ষকতা পেশা নিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও শিক্ষকতার পাশাপাশি একটি রাজনৈতিক দলে যোগদান করেন। গণতন্ত্রের পরিবর্তে বলপ্রয়োগে ক্ষমতা গ্রহণের পক্ষে তার মত ছিল। তিনি মনে করতেন, War is to man what maternity is to a woman.

হলিক্রস কলেজ · 2025

উত্তর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের নাগাসাকি শহরে যে আণবিক বোমা ফেলেছিল তার নাম ছিল ফ্যাটম্যান।

উত্তর

১৯১৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির ভাইমার নামক স্থানে যে প্রজাতন্ত্র গঠিত হয় তা ভাইমার প্রজাতন্ত্র নামে পরিচিত। ভাইমার প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন উদারপন্থি সমাজতন্ত্রী নেতা এফ এবার্ট। ভাইমার প্রজাতন্ত্রের সরকারকেই যুদ্ধ পরবর্তী সকল জটিল পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হয়। ভার্সাই সন্ধি চুক্তিতে এ সরকারকে স্বাক্ষর করতে হয়। এই প্রজাতন্ত্র ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।

উত্তর

উদ্দীপকে ইতালির একনায়ক বেনিতো মুসোলিনীকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। বেনিতো মুসোলিনীর পররাষ্ট্র নীতি ছিল সম্প্রসারণবাদ।মুসোলিনীর পররাষ্ট্রনীতির উদ্দেশ্য ছিল সম্প্রসারণবাদ। ক্ষমতা গ্রহণ করে তিনি ঘোষণা করেন, "আমি যুদ্ধ ভালোবাসি, যুদ্ধ করা আমার সহজাত প্রবণতা।” এ উপলক্ষে তিনি ইতালির পদাতিক, নৌ, বিমান বাহিনীকে ঢেলে সাজান। অস্ত্র, প্রশিক্ষণ এবং যুদ্ধের মানসিকতা প্রস্তুত করেন। তিনি যুদ্ধবিগ্রহের মাধ্যমে ভার্সাই সন্ধির প্রতারণার প্রতিশোধ নিতে মনস্থ করেন। তিনি বুঝেছিলেন যে, ইতালির সাম্রাজ্য বিস্তারের আকাঙ্ক্ষাকে সফল করে তুলতে হলে ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া, জার্মানি ইত্যাদি শক্তিকে পরস্পরের বিরুদ্ধে নিয়োজিত করতে হবে। এজন্য তিনি ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে জার্মানির বিরুদ্ধে নিয়োজিত করেন এবং ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানিকে সম্মিলিতভাবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিয়োজিত করে ইতালির প্রভাব-প্রতিপত্তি বৃদ্ধি করার কৌশল অবলম্বন করেন। মুসোলিনী তার এসব কৌশল প্রয়োগ করে বেশকিছু উপনিবেশ পুনরুদ্ধারে সফল হন। ১৯২৩ সালে গ্রিসের কর্মুদ্বীপ গ্রিসকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে তা ফেরত নিতে হয়। এতে নিজ দেশে মুসোলিনীর ভাবমূর্তি বেড়ে যায়। প্রতিবেশী দেশগুলোতে ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থানকে নানাভাবে সহযোগিতা প্রদান করেন। ১৯৩৬ সালে স্পেনে জেনারেল ফ্রাঙ্কোর নেতৃত্বে অভ্যুত্থান ঘটলে মুসোলিনী ফ্রাঙ্কোকে সমর্থন করেন। মুসোলিনী নিজ শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য জার্মানির হিটলারের সাথে মৈত্রী বন্ধনে আবন্ধ হন।পরিশেষে বলা যায়, মুসোলিনীর পররাষ্ট্র নীতির উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধের মাধ্যমে ইতালির সম্প্রসারণ ঘটানো এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইতালিকে সামরিকভাবে শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করা।

উত্তর

হ্যাঁ আমি মনে করি, উক্ত শাসকের অর্থাৎ বেনিতো মুসোলিনীর কর্মকাণ্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গতিকে ত্বরান্বিত করেছিল।প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী ইতালির অবস্থা নানা দিক দিয়ে শোচনীয় ছিল। দ্রুত হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক সম্পদের অভাব এবং শিল্পের অনগ্রসরতার কারণে ইতালির জনসাধারণ একধরনের হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে পড়েছিল। ইতালিতে এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে আবির্ভাব হয় বেনিতো মুসোলিনীর। মুসোলিনীর সময় ইতালির পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য ছিল ইতালির সম্প্রসারণ। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির সকল সুযোগ নিয়ে ইতালির রাষ্ট্রীয় গৌরব বৃদ্ধি ও প্রতিপত্তি স্থাপন করাই মুসোলিনীর মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল। ১৯২৭ সালে মুসোলিনী ঘোষণা করেন যে, ফ্যাসিস্ট ইতালির প্রধানতম কর্তব্য হলো ইতালির পদাতিক, নৌ ও বিমানবাহিনীকে সকল সময়ের জন্য প্রস্তুত রাখা। মুসোলিনী যুদ্ধকেই তার পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে মনে করতেন। তিনি বলতেন, "আমি যুদ্ধ ভালোবাসি, যুদ্ধ করা আমার সহজাত প্রবণতা।" ব্রিটেন ও ফ্রান্স উভয়কেই পরস্পরের সাথে বিবাদে লিপ্ত করে, ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে জার্মানির বিরুদ্ধে নিয়োজিত করে এবং ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানিকে সম্মিলিতভাবে সোভিয়েত রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিয়োজিত করে ইতালি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আধিপত্য স্থাপন করার ও সাম্রাজ্য বিস্তার করার নীতিও তিনি গ্রহণ করেন। আবিসিনিয়া জাতিপুঞ্জের সদস্য হওয়ার পরেও ইতালি আবিসিনিয়া আক্রমণ করে। ইতালি আবিসিনিয়াকে তার রাজ্যভুক্ত ঘোষণা করে। এই ঘটনা জাতিপুঞ্চের মর্যাদা অনেকাংশে নষ্ট করে এবং যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিফলতা প্রমাণ করে। এরপর ইতালি আলবেনিয়া গ্রাস করার লক্ষ্যে ১৯৩৯ সালে আলবেনিয়া আক্রমণ করে। ১৯৩৯ সালে ইতালি ও জার্মানির মধ্যে একটি সহযোগিতার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানিকে সাহায্য করে। পরিশেষে বলা যায়, উক্ত নেতৃত্বের অর্থাৎ বেনিতো মুসোলিনীর কর্মকাণ্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গতিকে ত্বরান্বিত করেছিল।
HSCHistory 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ভিয়েতনামে সাম্যবাদ (কমিউনিজম) প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়পড়ে। এক পর্যায়ে দেশটি দুটো ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। অবশ্য পরে আবার ঐক্যবদ্ধ হয়। বর্তমানে ঐ রাষ্ট্রটি প্রায় সকল ক্ষেত্রেই সমৃদ্ধি অর্জন করেছে।Q. উক্ত ঐক্যের ফলাফল ছিল-
i. রাষ্ট্রীয় যোগাযোগ
ii. অতীত ঐতিহ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা
iii. আর্থ-সামাজিক উন্নতিনিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ভিয়েতনামে সাম্যবাদ (কমিউনিজম) প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে দেশটি দুটো ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। অবশ্য পরে আবার ঐক্যবদ্ধ হয়। বর্তমানে ঐ রাষ্ট্রটি প্রায় সকল ক্ষেত্রেই সমৃদ্ধি অর্জন করেছে।Q. উদ্দীপকের ঘটনাটির সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দেশের মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.চার্চিল যে দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.হিটলার লিখিত Mein Kampf গ্রন্থের প্রধান উপজীব্য কী?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মনরো ডকট্রিন কবে প্রণীত হয়?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ফ্রান্সে 'বাস্তিল দুর্গ' কীসের প্রতীক ছিল?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মি. 'ক' তার দেশের বিপ্লবের প্রধান কারিগর। তিনি তার লেখনীর মাধ্যমে দেশের মানুষের মধ্যে বিপ্লবের মূলমন্ত্র জাগ্রত করতে সক্ষম হন।Q. উল্লিখিত মনীষীর কার্যক্রম-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মি. 'ক' তার দেশের বিপ্লবের প্রধান কারিগর। তিনি তার লেখনীর মাধ্যমে দেশের মানুষের মধ্যে বিপ্লবের মূলমন্ত্র জাগ্রত করতে সক্ষম হন।Q. উদ্দীপকের মি. 'ক' এর সাথে ফরাসি বিপ্লবের কোন মনীষীর মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মাও সেতুং চীনে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেন এবং সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করেন।Q. রুশ বিপ্লবের ফলে-
i. শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা পায়
ii. জারতন্ত্র উচ্ছেদ হয়
iii. গণতন্ত্র মুক্তি পায়নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মাও সেতুং চীনে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেন এবং সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করেন।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত মাও সেতুং এর সাথে রুশ বিপ্লবের কার সাদৃশ্য পাওয়া যায়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সার্ফ প্রথা কত সালে উচ্ছেদ করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ফরাসি বিপ্লবের তাৎপর্য কোনটি?
i. কৃষির আধুনিকীকরণ
ii. পুরানো সভ্যতাকে ভেঙে ফেলা
iii. নতুন সভ্যতা গড়ে তোলানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ভিয়েতনামে সাম্যউদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ভিয়েতনামে সাম্যবাদচার্চিল যে দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন-হিটলার লিখিত Mein Kampf গ্রন্থের প্রধান উপজীব্য কী?মনরো ডকট্রিন কবে প্রণীত হয়?ফ্রান্সে 'বাস্তিল দুর্গ' কীসের প্রতীক ছিল?উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মি. 'ক' তার দেশের বিপ্লবের প্রধান কারিগর। তউদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মি. 'ক' তার দেশের বিপ্লবের প্রধান কারিগর। তউদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মাও সেতুং চীনে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠউদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মাও সেতুং চীনে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠসার্ফ প্রথা কত সালে উচ্ছেদ করা হয়?ফরাসি বিপ্লবের তাৎপর্য কোনটি?i. কৃষির আধুনিকীকরণii. পুরানো সভ্যতাকে ভেঙে ফেলাiii

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।