উপরোক্ত যুদ্ধগুলো স্নায়ুযুদ্ধের ফল। এর পেছনে আমেরিকা ও রাশিয়ার স্বার্থ ছিল।
কোরিয়া যুদ্ধ স্বাদ্ধযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্যায়ের। সময়কাল ১৯৫০ থেকে ১৯৫৩। ১৯৪৫-১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্নায়ুযুদ্ধ মূলত ইউরোপ ও তার নিকটবর্তী অঞ্চলেই কেন্দ্রীভূত ছিল। কিন্তু, আন্তর্জাতিক অর্থনীতির ঝটিকা কেন্দ্র ইউরোপ থেকে অন্যত্র প্রসারিত হয়।
এ পর্যায়ে এশিয়া মহাদেশ স্নায়ুযুদ্ধের কেন্দ্র হয়ে দাঁড়ায়। কোরিয়া যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের তীব্র বিরোধ হয়। ১৯৪৮ সালে উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া বিভক্ত হয়ে যায়।
স্নায়ুযুদ্ধের তৃতীয় পর্যায় ধরা হয় ভিয়েতনাম যুদ্ধ। সময়সীমা ১৯৫৩ থেকে ১৯৫৯। এসময় ইন্দোচীন, পশ্চিম এশিয়া, ইউরোপ সর্বত্রই স্নায়ুযুদ্ধ প্রসারিত হয়। ভিয়েতনামকে উত্তর ও দক্ষিণ দুই অংশে বিভক্ত করা হয়। দক্ষিণ ভিয়েতনামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রভাবিত সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়।
এভাবে স্নায়ুযুদ্ধের ফলে দুটি দেশের স্বার্থে বিশ্বের আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়।