শান্তি মিশনে শুধু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নয়, পাশাপাশি পুলিশ বাহিনী, মহিলা পুলিশও নিয়োজিত আছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে জাতিসংঘে তথা বিশ্বে বাংলাদেশ পেয়েছে ব্যাপক পরিচিতি ও শ্রদ্ধা। বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনী নিজেদের জীবনের মায়া ত্যাগ করে যুদ্ধরত অঞ্চলে শান্তি স্থাপনে কাজ করে যাচ্ছে। শুধু শান্তিরক্ষার কারণে রহিমের মতো এসব বীর বিশ্ববাসীর কাছে অমর হয়ে আছে। শান্তিরক্ষী বাহিনীর বাংলাদেশি সদস্যরা তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বিভিন্ন কার্যক্রম সফল করার জন্য বিদেশে স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জনে সমর্থ হয়েছে। আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা শুধু গ্রহণযোগ্যতা নয়, পেয়েছে স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান। ভালোবাসার স্বীকৃতি স্বরূপ সিয়েরালিওনে বাংলা ভাষা পেয়েছে সেই দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। আইভরিকোস্টের অন্যতম ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে 'বাংলাদেশ সড়ক'।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, রহিমের মতো মানুষেরা তাদের ত্যাগের মহিমায় ভিনদেশি তথা অন্য দেশের মানুষের ভালোবাসা, ও শ্রদ্ধায় সিক্ত হয়ে রয় চিরকাল ।