আমার মতে নিরাপত্তা পরিষদ জাতিসংঘে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে সচেষ্ট হয়েছে ।
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল— সদস্যরাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা রক্ষা ও বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করা। ২০১০ সাল পর্যন্ত, এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এ সময়কালে জাতিসংঘ ৫৫টি শান্তি রক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে এবং ১৫টি শান্তি রক্ষা বাহিনী বিভিন্ন দেশে সক্রিয়ভাবে রয়েছে। এ সময়কালের মধ্যে প্রায় ১৭২টি যুদ্ধ সম্ভাবনার সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে নিরসন করেছে। যার মধ্যে ৮০টি সমস্যা বিদ্যমান দেশগুলোকে প্রায় যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছিল। এর মধ্যে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কারগিল সংঘর্ষ অন্যতম। ২০১৬ সাল পর্যন্ত শান্তি রক্ষা কার্যক্রম ৬০টিতে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ১৯৫০ সালের কোরীর সংকট। ১৯৬৫ সারের সুয়েজ খাল সংকট, আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার, ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান, ইরাক-ইরান যুদ্ধ সমাধান করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্ব শান্তিরক্ষায় 'গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ২০০১ সালে জাতিসংঘ নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
অতএব বলা যায়, নিরাপত্তা পরিষদ জাতিসংঘে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সচেষ্ট হয়েছে।