উদ্দীপকে জাতিসংঘের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো :
যুদ্ধ বিগ্রহের কলারগ্রাস থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করা এবং শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে জাতিসংঘের জন্ম। জাতিসংঘের মূল অঙ্গীকার হচ্ছে বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পুরো পৃথিবীর অর্থনৈতিক, সামাজিক ভিত্তি বিপর্যয় শিকার হলে জাতিসংঘ তার কার্যক্রমের মাধ্যমে সমগ্র প্রতিকূলতা দূর করে। পৃথিবীর ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মানবিক নানা কাজের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। প্রতিবছর নিরাপত্তা পরিষদে অধিবেশনের মাধ্যমে বৈষিক পরিকল্পনা গ্রহণ শান্তি রক্ষা বাহিনী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমন করে বিশ্ব শান্তিকে স্থায়ী করতে অনবরত কাজ করে যাচ্ছে জাতিসংঘ। এ ছাড়াও জাতিসংঘ মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠা, শরণার্থী সমস্যা সমাধান কার্যক্রম, পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রম, নারীর অধিকার রক্ষা, শ্রমিক অধিকার সংরক্ষণ, মাদকদ্রব্য অপব্যবহার ও চোরাচালান রোধ, পরমাণু অস্ত্রবিস্তার অবদান রাখছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার চিন্তা থেকে ২০ শতকের মাঝামাঝি সময় প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি কিছু ব্যর্থতা থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে সংগঠনটি শান্তি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রশংসায় দাবিদার।
সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকে উল্লেখিত সংগঠনটির সাথে জাতিসংঘের সাদৃশ্য ও লক্ষ্য করা যায়।