উদ্দীপকে বর্ণিত সংগঠনটি কার্যক্রমের সাথে জাতিসংঘের কার্যক্রমে সাদৃশ্য রয়েছে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো :
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মোট ছয়টি অঙ্গসংস্থার সমম্বয়ে ১৯৪৫ সালে বৃহৎ আন্তর্জাতিক সংগঠন জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতিসংঘ বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে বিশ্বশান্তির রক্ষার কাজ করে আসছে। বিশ্বের কোথাও যুদ্ধ, সাময়িক সংঘাত বা উত্তেজনা সৃষ্টি হলে জাতিসংঘ তা বন্ধ করার উদ্যোগ নেয়। কখনও কখনও যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্য বা যুদ্ধের পর ক্ষতিগ্রস্তদের সহতার জন্য জাতিসংঘ তার শান্তিরক্ষী বাহিনীকেও সংঘাতপূর্ণ এলাকায় পাঠায়। এছাড়াও বিশ্ব থেকে ক্ষুদা, দারিদ্র ও নিরক্ষতা দূর করা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, পরিবেশ দূষণজনিত সমস্যা মোকাবিলা, জনসংখ্যা বিস্ফোরণ, নারী ও শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি বিষয়ে কার্যক্রম পরিচালনার মধ্যে দিয়ে জাতিসংঘ আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি অর্জনের মাধ্যমে পরোক্ষভাবেও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখছে।
উদ্দীপকে দেখা যায, ক একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক সংগঠন। কয়েকটি অঙ্গসংস্থা সমন্বয়ে গঠিত এ সংগঠনটির উদ্দেশ্য বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায়। ক সংগঠনের ন্যায় জাতিসংঘ ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য গঠিত হয়ে নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকে উল্লেখিত ক এর কার্যক্রম এর সাথে জাতিসংঘের কার্যক্রম সাদৃশ্যপূর্ণ।