উক্ত শাসকের আমলে তার দেশ মৃত্যুপুরী ও বন্দিশিবিরে পরিণত হয়েছিল— বিষয়টি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উক্ত শাসক অর্থাৎ এডলফ হিটলারের আমলে সমগ্র জার্মানি মৃত্যুপুরী ও বন্দি শিবিরে পরিণত হয় বলে আমি মনে করি। হিটলার ১৯৩৩ সালের ৩০ জানুয়ারি জার্মানির শাসনক্ষমতা দখল করার পর চরম কর্তৃত্বপরায়ণ হয়ে ওঠেন। তিনি ১৯৩৪ সালে প্রেসিডেন্ট ও চ্যান্সেলর দুটি পদই দখল করেন। তিনি ক্রমশ বিরোধী দলগুলোর কবর রচনা করেন । তার সরকার বিরোধী দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে আটক করে। হেইনরিখ হিমলার, হার্মান গোয়েরিং, পল যোসেফ গোয়েবলস প্রমুখ জার্মানিতে চরম একনায়কতন্ত্র ও নাৎসিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে হিটলারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। তারা বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর নানা ধরনের দমন পীড়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। দেশের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করার জন্য বন্দিশিবির খোলা হয়। ১৯৩৪ সালের ৩০ জুন রাতে হাজারের বেশি মানুষকে হিটলারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান | ঘটানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে হত্যা করা হয়। এটিকে 'লম্বা ছুরির রজনী' বলে ভয়ার্তচিত্তে স্মরণ করা হয়ে থাকে। হিটলারের নামে প্রতিষ্ঠিত শিশু ও যুব সংগঠনে ১০ থেকে ১৮ বছরের কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। হিটলারের বিরোধী কোনো শিক্ষিত মানুষের পক্ষে দেশে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়ে। উপরোক্ত বর্ণনা থেকে এটা স্পষ্ট যে, হিটলারের শাসনামলে সমগ্র জার্মানি সত্যিই মৃত্যুপুরী ও বন্দিশিবিরে পরিণত হয়।
HSC History 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · History 2nd Paper · সৃজনশীল
উক্ত শাসকের আমলে তার দেশ মৃত্যুপুরী ও বন্দিশিবিরে পরিণত হয়েছিল— বি…
উদ্দীপক
Combined · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর