উদ্দীপকের গোপীপুর হাইস্কুলের ছাত্র ইউনিয়নের ঘটনা আমাদেরকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ১৯৯১ সালের সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্ষমতার পালাবদলের ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
এর মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যায় এবং স্বাধীন ১৫টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের এটি ছিল সবচেয়ে বড় পতনের ঘটনা। মিখাইল গর্বাচেভ ১৫টি প্রজাতন্ত্রের মধ্যে সকলের, সাধারণ স্বার্থ সম্পর্কিত বিষয়ে যেমন প্রতিরক্ষা ও তার ব্যয়ভার বহন, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ। এবং জাতীয় প্রতিরক্ষার পদ্ধতি ও নীতি নির্ধারণ প্রভৃতি বিষয়ে ঐক্যের জন্য গণভোট গ্রহণের ব্যবস্থা করেন। এ গণভোটে অধিকাংশই এ ধরনের বিষয়ে ঐক্য বজায় রাখতে সম্মত হয়েছিল। কিন্তু যেদিন এ গণভোট অনুসারে সবকটি প্রজাতন্ত্রের মধ্যে চুক্তি হওয়ার কথা ছিল তার আগের দিন ১৯৯১ সালের ১৯ আগস্ট কট্টর কমিউনিস্ট নেতারা গর্বাচেভকে ক্ষমতাচ্যুত করে নজরবন্দি করেন। এসময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন ও উদারপন্থিরা এবং জনসাধারণের সক্রিয় প্রচেষ্টায় গর্বাচেভ মুক্তি পান। ১৯৯১ সালের ১৯ আগস্ট থেকে ২১. আগস্ট চরমপন্থিরা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ গর্বাচেভকে চ্যালেঞ্জ করতে এ সামরিক অভ্যুত্থান ঘটায় এবং জনগণের কমিটির নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি জানায়।
বলা হয়, রাষ্ট্র ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং তা থামানো ছাড়া কোনো উপায় নেই। এসময় প্রেসিডেন্ট ইয়েলৎসিনের ভূমিকা গর্বাচেভকে রক্ষা করতে সহায়তা করে।