উদ্দীপকের সোয়ান ও সুমী মা-বাবার আলাদা থাকার দরুন। আলাদা হয়ে যায়। আর এজন্য দায়ী ছিলেন সুমী ও সোয়ানের দাদি। দাদির কূটকৌশলের কারণেই তার মা-বাবাকে আলাদা হতে হয়। তাদের এ আলাদা থাকার ফলে সুমী-সোয়ানকেও আলাদা- আলাদাভাবে বসবাস করতে হয়। কিন্তু দাদির মৃত্যুর পর তার মা-বাবা আবার একত্রে বসবাস করা শুরু করেন। এক্ষেত্রে দাদির মৃত্যু বড় সহায়ক হয়েছিল। কেননা মা-বাবার বিচ্ছেদের পেছনে দায়ী ছিলেন এ তৃতীয় শক্তি দাদি। দাদির কূটচালই যেহেতু তাদের বিচ্ছেদের কারণ ছিল, তাই দাদির মৃত্যুর মাধ্যমে এ বাধা অপসারিত হয়েছে। এ তৃতীয় শক্তির জন্যই বিচ্ছেদ হয়েছিল আবার এর পতনের ফলেই তাদের একত্রীকরণ সম্ভব হয়েছে, যা হয়নি দাদির জীবদ্দশায়। একই রকম ঘটনা দেখা গিয়েছিল জার্মানির বিভক্তি ও মিলনের সময়ও। রাশিয়া- মার্কিন বিরোধ যেখানে জার্মানির বিভক্তির মূল কারণ ছিল, সেখানে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এর একত্রীকরণে ভূমিকা পালন করে। তৃতীয় শক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন দুই জার্মানির একত্রীকরণের সব বাধা অপসারিত করেছিল। যেমনভাবে দাদির মৃত্যু মা-বাবার একত্রীকরণে সহায়তা করেছে উদ্দীপকে।