উদ্দীপকে আমার পাঠ্যবইয়ের সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেঙে পড়ার কথা বলা হয়েছে।
কেননা উদ্দীপকে বলা হয়েছে, ক রাষ্ট্রটিতে নতুন শাসক ক্ষমতায় এসে পূর্ববর্তী শাসকদের আগ্রাসী নীতি ত্যাগ করে খোলামেলা নীতি গ্রহণ করেন। তিনি কিছু সংস্কার কর্মসূচিও গ্রহণ করেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত আর্থসামাজিক অগ্রগতি না হওয়ায় 'ক' রাষ্ট্রটি ভেঙে পড়ে। এতে বিশ্বে শক্তির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে পড়ে এবং বিশ্ব এককেন্দ্রিক বিশ্বে পরিণত হয়। উদ্দীপকের তথ্যগুলো বিবেচনায় নিলে দেখা যায়, আমাদের পাঠ্যবইয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের নতুন শাসক মিখাইল গর্বাচেভ পূর্ববর্তী ব্রেজনেভের আগ্রাসী নীতি পরিত্যাগ করে গ্লাসনস্ত নামে খোলামেলা নীতি গ্রহণ করেন। এছাড়াও তিনি পেরেস্ত্রোইকা নামক সংস্কার কর্মসূচিও গ্রহণ করেন। কিন্তু এরপরও সোভিয়েত ইউনিয়নের কাঙ্ক্ষিত আর্থসামাজিক অগ্রগতি না হওয়ায় সোভিয়েত ইউনিয়ন নামক রাষ্ট্রটি ভেঙে পড়ে। এর ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পুঁজিবাদী ব্লকের নেতৃত্বে এককেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে ওঠে। ফলে বিশ্বের শক্তির, ভারসাম্য নষ্ট হয়। উপরিউক্ত তথ্যগুলোর আলোকে বলা যায়, উদ্দীপকে 'ক' রাষ্ট্রের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে। আর সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেঙে পড়ার পিছনে কমিউনিজমের আদর্শের অন্তঃসারশূন্যতা, আর্থিক সংকট, নেতৃত্বের সংকট ও সংস্কার কর্মসূচিসমূহকে দায়ী করা হয়।
অতএব, আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি, উদ্দীপকে আমার পাঠ্যবইয়ের সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেঙে পড়ার কথা বলা হয়েছে।