➤ উদ্দীপকের উল্লিখিত মিঠুর সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের বর্ণবাদবিরোধী নেতা ডেসমন্ড টুটুর মিল রয়েছে।
➤ মিঠুর বাবা ছিলেন একজন শিক্ষক। মা ছিলেন স্কুলের রাঁধুনি ও পরিচ্ছন্নকর্মী। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা না থাকায় মিঠু ডাক্তারি না পড়ে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। মিঠু বিশ্বব্যাপী নির্যাতিত মানুষের পক্ষে কাজ করে আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন। উদ্দীপকের এ ঘটনার সাথে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদীবিরোধী নেতা ডেসমন্ড টুটুর সাদৃশ্য রয়েছে। তিনি মহাত্মা গান্ধীর একান্ত শিষ্য হিসেবে অহিংস আন্দোলনের পূজারি ছিলেন এবং অহিংস নীতির মাধ্যমে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার ইচ্ছে ছিল বর্ণবৈষম্যকে আফ্রিকার মাটি থেকে চিরতরে বিদায় দিতে পারলে আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গরা যেন পৃথিবীতে স্বর্গের দরজায় পা রাখবে। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন, কষ্ট ভোগ করেছেন। বারবার সরকার তাকে বিরক্ত করেছেন এবং অনেকবার তার পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করেছে। তাকে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। বর্ণবৈষম্যের আন্দোলন তাকে সামনের দিকে নিয়ে গেছে। তিনি বলতেন যে, "সাম্যবাদ ও নাজিবাদের মতো বর্ণবৈষম্যের আন্দোলন তাকে সামনের দিকে নিয়ে গেছে। তিনি বলতেন, সাম্যবাদ ও নাজিবাদের মতো বর্ণবৈষম্য একটি জীবন্ত অভিশাপ। এ অভিশাপকে দূর করতেই হবে। তা না হলে মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার কোনো সার্থকতা থাকবে না। তিনি ১৯৮৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।
➤ পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের মিঠুর সাথে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেতা ডেসমন্ড টুটুর সাদৃশ্য রয়েছে।