উক্ত ভারতীয় বর্ণবাদবিরোধী নেতার আন্দোলন আদিবাসী শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ে কীভাবে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত দাও।
উত্তর: উক্ত ভারতীয় বর্ণবাদবিরোধী নেতা অর্থাৎ মহাত্মা গান্ধী ছিলেন অহিংস আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব। মহাত্মা গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের সূচনা করেছেন। এজন্য তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে ঐক্য স্থাপনের কাজ করেন। এ ঐক্য দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগণ, ভারতীয় জনগণ এবং আদিবাসী আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের মাঝে। ঐক্য স্থাপনের মাধ্যমে তিনি কৃষ্ণাঙ্গদেরকে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অগ্রবর্তী করে গড়ে তোলেন। এছাড়াও তার আন্দোলন সংগ্রামের মূলপন্থা ছিল অহিংস সত্যাগ্রহ। আন্দোলনের নামে নৈরাজ্যকে তিনি কখনো প্রশ্রয় দিতেন না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তার সংগ্রাম চলত। প্রয়োজনে তিনি অনশন করতেন। এ পদ্ধতিতে আন্দোলন পরিচালনার মাধ্যমে সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে তিনি দাবি আদায় করতেন। যে কারণে তিনি অহিংস 1 আন্দোলনের জনক হিসেবেও পরিচিত। মার্কিন বর্ণবাদবিরোধী নেতা মার্টিন লুথার কিং, নেলসন ম্যান্ডেলা, ডেসমন্ড টুটু প্রমুখ নেতা মহাত্মা গান্ধীর অনুসারী ছিলেন। তাদের আন্দোলনের সফলতা এসেছে গান্ধীবাদী আন্দোলনের মাধ্যমে। আর এ পদ্ধতি ও কৌশল যদি ফুলকলি বিশ্ববিদ্যালয়ের আদিবাসী শিক্ষার্থীরা অনুসরণ করে, তবে তারা সফল হবেই। গান্ধীর মতাদর্শ অনুসরণ করলে আদিবাসীদেরকে প্রথমে ঐক্যবন্ধ হতে হবে। দাবি আদায়ের জন্য তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করতে হবে। আন্দোলনের ধারা হবে অহিংস। শান্তিপূর্ণ উপায়ে এ আন্দোলন চালাতে হবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত। গান্ধীর অহিংসবাদ উপায়ে এ আন্দোলন হবে কোনোরূপ সহিংসতা ব্যতিরেকে। দেরিতে হলেও তারা এ উপায়ে আন্দোলন করলে সফল হবেই হবে।
HSC History 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · History 2nd Paper · সৃজনশীল
উক্ত ভারতীয় বর্ণবাদবিরোধী নেতার আন্দোলন আদিবাসী শিক্ষার্থীদের দাবি …
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর