শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত সংগঠনটির সাথে পাঠ্যবইয়ের কোন সংগঠনের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত সংগঠনটির সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের লীগ অব নেশসন বা জাতিপুঞ্জের সাদৃশ্য রয়েছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকা, মানব বিপর্যয়, সম্পদহানি, ধ্বংসস্তূপ, মানুষের কান্নার রোল বিশ্বের চিন্তাশীল ও বিবেকবান মানুষকে স্তম্ভিত করে তোলে। ভবিষ্যতে যাতে এরূপ যুদ্ধ না হয় বা কেউ যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ে এ উদ্দেশ্যে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ ঐক্যমত হয়। তারা যুদ্ধ এড়িয়ে সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখতে একটি সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন এবং এ লক্ষ্যে তারা একটি খসড়া সংবিধান তৈরি করে। অবশেষে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই সম্মেলনে লীগ অব নেশনসের চুক্তিপত্র গৃহিত হয় এবং ১৯২০ সালে লীগ অব নেশনসের যাত্রা শুরু হয়। লীগের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা, একে অপরকে আক্রমণ করতে নিরুৎসাহিত করা, সংখ্যালঘু, ম্যান্ডেট সমস্যা নিরসন করা, সদস্যভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর রাজনৈতিক সীমানা অক্ষুন্ন রাখা এবং সদস্যভুক্ত কোনো রাষ্ট্র অপর কোনো রাষ্ট্র দ্বারা আক্রান্ত হলে সমবেতভাবে আক্রান্ত রাষ্ট্রকে সহায়তা করা। উপরের আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে উদ্দীপকে যে ঘটনার ইঙ্গিত রয়েছে তা ১৯১৯ সালে লীগ অব নেশনস সংগঠনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

HSC History 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 2nd Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত সংগঠনটির সাথে পাঠ্যবইয়ের কোন সংগঠনের সাদৃশ্য রয়…

উদ্দীপক

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে বিশ্বে একটি সংগঠনের জন্ম হলেও বৃহৎ দেশসমূহের অসহযোগিতাসহ বিভিন্ন কারণে সংগঠনটি শেষ পর্যন্ত অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। তথাপি তৎকালীন আন্তর্জাতিক সমস্যার সমাধান ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সংগঠনটির গুরুত্ব ছিল অপরিসীম।

Rajshahi · 2022

উত্তর

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উপকণ্ঠে ভার্সাই নগরী অবস্থিত।

উত্তর

উদীয়মান পরাশক্তি জার্মানিকে মোকাবিলা করার জন্য ফ্রান্স, রাশিয়া ও ইংল্যান্ডের মাঝে যে আঁতাত হয়, তা ত্রিশক্তি আঁতাত নামে পরিচিত। এ আঁতাত ছিল ত্রিশক্তি জোট-এর হুমকি মোকাবিলায় গড়ে ওঠা ইউরোপীয় সামরিক জোট। দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ফলে এ আঁতাত গড়ে ওঠে মূলত ১৮৯৩ সালে ফ্রাঙ্কো-রুশ চুক্তি, ১৯০৫ সালে ইঙ্গ-ফরাসি চুক্তি এবং ১৯০৭ সালে ইঙ্গ-রুশ চুক্তির ফল হচ্ছে ত্রিশক্তি আঁতাত ।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত সংগঠনটির সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের লীগ অব নেশসন বা জাতিপুঞ্জের সাদৃশ্য রয়েছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকা, মানব বিপর্যয়, সম্পদহানি, ধ্বংসস্তূপ, মানুষের কান্নার রোল বিশ্বের চিন্তাশীল ও বিবেকবান মানুষকে স্তম্ভিত করে তোলে। ভবিষ্যতে যাতে এরূপ যুদ্ধ না হয় বা কেউ যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ে এ উদ্দেশ্যে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ ঐক্যমত হয়। তারা যুদ্ধ এড়িয়ে সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখতে একটি সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন এবং এ লক্ষ্যে তারা একটি খসড়া সংবিধান তৈরি করে। অবশেষে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই সম্মেলনে লীগ অব নেশনসের চুক্তিপত্র গৃহিত হয় এবং ১৯২০ সালে লীগ অব নেশনসের যাত্রা শুরু হয়। লীগের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা, একে অপরকে আক্রমণ করতে নিরুৎসাহিত করা, সংখ্যালঘু, ম্যান্ডেট সমস্যা নিরসন করা, সদস্যভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর রাজনৈতিক সীমানা অক্ষুন্ন রাখা এবং সদস্যভুক্ত কোনো রাষ্ট্র অপর কোনো রাষ্ট্র দ্বারা আক্রান্ত হলে সমবেতভাবে আক্রান্ত রাষ্ট্রকে সহায়তা করা। উপরের আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে উদ্দীপকে যে ঘটনার ইঙ্গিত রয়েছে তা ১৯১৯ সালে লীগ অব নেশনস সংগঠনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

তৎকালীন বিশ্বে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় উক্ত সংগঠনটি তথ্য লীগ অব নেশনসের অবদান অনস্বীকার্য – উক্তিটি যথার্থ। কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি থাকা সত্ত্বেও লীগ অন নেশসন গঠিত হওয়ার পরবর্তী এক দশক এটি একটি সফল আন্তর্জাতিক সংস্থার মর্যাদা লাভ করে। এ সময়টিকে লীগের সুবর্ণ যুগ বলা হয়। এ সময় বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক কোনো স্বার্থঘটিত দ্বন্দ্ব না হওয়ায় লীগের পক্ষে আন্তর্জাতিক বিরোধগুলোর নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়। ফলে এটি একটি কার্যকর সংগঠন বলে প্রতিপন্ন হয়। এ সময়ের মধ্যে লীগ এলান্ড দীপপুঞ্জ সংক্রান্ত বিরোধ, সাইলেশিয়া সংকট, ইরান-রুশ সংকট, রুশ-তুরস্ক, জার্মানি-পোল্যান্ড, গ্রিস-আলবেনিয়া, গ্রিস-বুলগেরিয়া বিরোধ পোল্যান্ড লিথুনিয়া সংকট সমাধান করতে সমর্থ হয়। কিন্তু হিটলার মুসোলিনির নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদ এবং জাপানের সমরবাদ বিশ্বের মাথা চাড়া দিয়ে উঠলে জাতিপঞ্জ আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হতে থাকে। ব্রিটেন ও ফ্রান্সের তোষণনীতির ফলে জাতিপুঞ্জ একেবারে মুখ থুবড়ে পড়ে। তা সত্ত্বেও তৎকালীন সময়ে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিপুঞ্জের সমকক্ষ অন্য কোনো সংগঠন ছিল না। তাই বলা যায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তৎকালীন সময়ে লীগ অব নেশনসের অবদান অনস্বীকার্য ছিল।
HSCHistory 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ভিয়েতনামে সাম্যবাদ (কমিউনিজম) প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়পড়ে। এক পর্যায়ে দেশটি দুটো ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। অবশ্য পরে আবার ঐক্যবদ্ধ হয়। বর্তমানে ঐ রাষ্ট্রটি প্রায় সকল ক্ষেত্রেই সমৃদ্ধি অর্জন করেছে।Q. উক্ত ঐক্যের ফলাফল ছিল-
i. রাষ্ট্রীয় যোগাযোগ
ii. অতীত ঐতিহ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা
iii. আর্থ-সামাজিক উন্নতিনিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ভিয়েতনামে সাম্যবাদ (কমিউনিজম) প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে দেশটি দুটো ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। অবশ্য পরে আবার ঐক্যবদ্ধ হয়। বর্তমানে ঐ রাষ্ট্রটি প্রায় সকল ক্ষেত্রেই সমৃদ্ধি অর্জন করেছে।Q. উদ্দীপকের ঘটনাটির সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দেশের মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.চার্চিল যে দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.হিটলার লিখিত Mein Kampf গ্রন্থের প্রধান উপজীব্য কী?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মনরো ডকট্রিন কবে প্রণীত হয়?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ফ্রান্সে 'বাস্তিল দুর্গ' কীসের প্রতীক ছিল?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মি. 'ক' তার দেশের বিপ্লবের প্রধান কারিগর। তিনি তার লেখনীর মাধ্যমে দেশের মানুষের মধ্যে বিপ্লবের মূলমন্ত্র জাগ্রত করতে সক্ষম হন।Q. উল্লিখিত মনীষীর কার্যক্রম-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মি. 'ক' তার দেশের বিপ্লবের প্রধান কারিগর। তিনি তার লেখনীর মাধ্যমে দেশের মানুষের মধ্যে বিপ্লবের মূলমন্ত্র জাগ্রত করতে সক্ষম হন।Q. উদ্দীপকের মি. 'ক' এর সাথে ফরাসি বিপ্লবের কোন মনীষীর মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মাও সেতুং চীনে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেন এবং সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করেন।Q. রুশ বিপ্লবের ফলে-
i. শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা পায়
ii. জারতন্ত্র উচ্ছেদ হয়
iii. গণতন্ত্র মুক্তি পায়নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মাও সেতুং চীনে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেন এবং সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করেন।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত মাও সেতুং এর সাথে রুশ বিপ্লবের কার সাদৃশ্য পাওয়া যায়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সার্ফ প্রথা কত সালে উচ্ছেদ করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ফরাসি বিপ্লবের তাৎপর্য কোনটি?
i. কৃষির আধুনিকীকরণ
ii. পুরানো সভ্যতাকে ভেঙে ফেলা
iii. নতুন সভ্যতা গড়ে তোলানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ভিয়েতনামে সাম্যউদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ভিয়েতনামে সাম্যবাদচার্চিল যে দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন-হিটলার লিখিত Mein Kampf গ্রন্থের প্রধান উপজীব্য কী?মনরো ডকট্রিন কবে প্রণীত হয়?ফ্রান্সে 'বাস্তিল দুর্গ' কীসের প্রতীক ছিল?উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মি. 'ক' তার দেশের বিপ্লবের প্রধান কারিগর। তউদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মি. 'ক' তার দেশের বিপ্লবের প্রধান কারিগর। তউদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মাও সেতুং চীনে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠউদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:মাও সেতুং চীনে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠসার্ফ প্রথা কত সালে উচ্ছেদ করা হয়?ফরাসি বিপ্লবের তাৎপর্য কোনটি?i. কৃষির আধুনিকীকরণii. পুরানো সভ্যতাকে ভেঙে ফেলাiii

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।