উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনা বিশ শতকের গোড়ার দিকে সংঘটিত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ।
১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত প্রায় চার বছর স্থায়ী প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তিনটি মহাদেশের ৩৪টি দেশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ে। উপনিবেশবাদ, পুঁজিবাদের বিকাশ, সামরিক যুদ্ধ শিবিরে বিভক্ত বিশ্ব পরিস্থিতি ইত্যাদি নানা বিষয় এ যুদ্ধে অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছিল। তবে যুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ ছিল একটি হত্যাকান্ড। ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ান সাম্রাজ্যের যুবরাজ ফ্রান্সিস ফার্ডিনান্ড বসনিয়ার সারায়েভোতে স্ত্রী সোফিয়াসহ ভ্রমণের সময় সার্ব আততায়ীর হাতে নিহত হন। এ হত্যাকাণ্ডের জন্য অস্ট্রিয়া সার্বিয়াকে সম্পূর্ণ দায়ী করে ২৮ জুলাই তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ক্রমে জার্মানি, রাশিয়া, ফ্রান্সসহ ইউরোপের অন্য রাষ্ট্রগুলো এ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে তা বিশ্বযুদ্ধে নেয়। যেমনটি উদ্দীপকেও দেখা যায় ।
উদ্দীপকে দেখা যায়, হরিপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের পুত্র সাব্বির আহমেদ তার স্ত্রীকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী বড়াইগ্রাম উপজেলায় বেড়াতে যায়। সেখানে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীদের হামলায় তারা নিহত হলে উভয় উপজেলার অধিবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষ লেগে যায়, যা পরে আশপাশের উপজেলাগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে। উদ্দীপকে বর্ণিত এ ঘটনা বিশ শতকে সংঘটিত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।